নজরবিডি, রাজধানী
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ এই হামলা চালায়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আটককৃতদের শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
শেরেবাংলা নগর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপরাধে ২৬ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে মো. সাব্বির, মো. শাহিন, মো. রিফাত, মো. মঈনসহ মোট ২৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানান, আজ থেকে দেশে অবৈধ ও আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন বন্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এই ব্যবস্থার ফলে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
উল্লেখ্য, এনইআইআর চালুর ফলে এখন থেকে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে আর কোনো আনঅফিশিয়াল ফোন সক্রিয় হবে না। এই পদক্ষেপের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অপরাধীদের দ্রুতই সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন: মো. সাব্বির (২৪), মো. শাহিন (২৬), মো. রিফাত (১৯), মো. মঈন (২২), মো. অনিক (২৭), মো. তারেক (২৪), মো. রিফাত (২৩), মো. হানিফ (২৫), মো. রাব্বি (৩২), মো. সোহানুল (২৪), দীপক হাজরা (২৬), তারেক আজিজ (২৫), মো. সাজ্জাদ (১৯), মো. শিপন (২৩), মো. সিয়াম (২৩), মো. ওনেস ইমরান (২৪), মো. মনির (২৫), মো. হারিস (২৭), মো. মতিউর (৪৮), মো. সাব্বির (২২), রাজন শেখ (৩১), আবু সাদিক (২৯), মো. মামুন (২৪), মজিবর (৩২), মো. সালাউদ্দিন (৩৯), মো. রাকিব (২৩), আমিনুল ইসলাম (২৪) ও আ. সবুজ (৩০)।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, রাজধানী
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ এই হামলা চালায়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আটককৃতদের শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
শেরেবাংলা নগর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপরাধে ২৬ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে মো. সাব্বির, মো. শাহিন, মো. রিফাত, মো. মঈনসহ মোট ২৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানান, আজ থেকে দেশে অবৈধ ও আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন বন্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এই ব্যবস্থার ফলে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
উল্লেখ্য, এনইআইআর চালুর ফলে এখন থেকে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে আর কোনো আনঅফিশিয়াল ফোন সক্রিয় হবে না। এই পদক্ষেপের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অপরাধীদের দ্রুতই সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন: মো. সাব্বির (২৪), মো. শাহিন (২৬), মো. রিফাত (১৯), মো. মঈন (২২), মো. অনিক (২৭), মো. তারেক (২৪), মো. রিফাত (২৩), মো. হানিফ (২৫), মো. রাব্বি (৩২), মো. সোহানুল (২৪), দীপক হাজরা (২৬), তারেক আজিজ (২৫), মো. সাজ্জাদ (১৯), মো. শিপন (২৩), মো. সিয়াম (২৩), মো. ওনেস ইমরান (২৪), মো. মনির (২৫), মো. হারিস (২৭), মো. মতিউর (৪৮), মো. সাব্বির (২২), রাজন শেখ (৩১), আবু সাদিক (২৯), মো. মামুন (২৪), মজিবর (৩২), মো. সালাউদ্দিন (৩৯), মো. রাকিব (২৩), আমিনুল ইসলাম (২৪) ও আ. সবুজ (৩০)।

আপনার মতামত লিখুন