নজরবিডি, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আপিল করার সুযোগ পাবেন।
আপিল গ্রহণ: ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি ২০২৬।
আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তি: ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬।
ইসি সচিবালয়ে বিশেষ এজলাস ও বুথ স্থাপন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনাররা এই শুনানি পরিচালনা করবেন।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরের ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ২৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বাতিল হয়েছে ৮১ জনের এবং একজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত রয়েছে। এছাড়া একজন প্রার্থী ইতিমধ্যে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ঢাকার ১ থেকে ১৫ নম্বর আসনের মধ্যেই ৬২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়ায় কোনো প্রার্থীর প্রতি অবিচার হয়ে থাকলে তা সংশোধন করা হবে। বাতিলের কারণগুলোর যৌক্তিকতা আইন অনুযায়ী যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।”

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আপিল করার সুযোগ পাবেন।
আপিল গ্রহণ: ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি ২০২৬।
আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তি: ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬।
ইসি সচিবালয়ে বিশেষ এজলাস ও বুথ স্থাপন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনাররা এই শুনানি পরিচালনা করবেন।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরের ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ২৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বাতিল হয়েছে ৮১ জনের এবং একজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত রয়েছে। এছাড়া একজন প্রার্থী ইতিমধ্যে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ঢাকার ১ থেকে ১৫ নম্বর আসনের মধ্যেই ৬২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়ায় কোনো প্রার্থীর প্রতি অবিচার হয়ে থাকলে তা সংশোধন করা হবে। বাতিলের কারণগুলোর যৌক্তিকতা আইন অনুযায়ী যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।”

আপনার মতামত লিখুন