নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
বার্তায় বলা হয়, বিজিডিসিএলের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় বর্তমানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ ও লিকেজ শনাক্তকরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযানে পরীক্ষিত রাইজারগুলোর মধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ রাইজারে গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া এসব রাইজারের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ মেরামত করা সম্ভব হয়েছে।
বাকি ৮০ শতাংশ রাইজারের লিকেজ যথাসময়ে মেরামত না হওয়ায় এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের ফলে বিদেশ থেকে আমদানি করা মূল্যবান এলএনজি (LNG) অপচয় হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিজিডিসিএল জানায়, লিকেজ ও অবৈধ সংযোগের কারণে বৈধ গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত চাপে গ্যাস পাচ্ছেন না, যার ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে গ্রাহকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, গ্রাহকের হাউজলাইনে লিকেজ পাওয়া গেলে তা অবশ্যই বিজিডিসিএলের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে মেরামত করতে হবে। অন্যথায় গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪ ও গ্যাস আইন-২০১০ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
বার্তায় বলা হয়, বিজিডিসিএলের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় বর্তমানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ ও লিকেজ শনাক্তকরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযানে পরীক্ষিত রাইজারগুলোর মধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ রাইজারে গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া এসব রাইজারের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ মেরামত করা সম্ভব হয়েছে।
বাকি ৮০ শতাংশ রাইজারের লিকেজ যথাসময়ে মেরামত না হওয়ায় এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের ফলে বিদেশ থেকে আমদানি করা মূল্যবান এলএনজি (LNG) অপচয় হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিজিডিসিএল জানায়, লিকেজ ও অবৈধ সংযোগের কারণে বৈধ গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত চাপে গ্যাস পাচ্ছেন না, যার ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে গ্রাহকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, গ্রাহকের হাউজলাইনে লিকেজ পাওয়া গেলে তা অবশ্যই বিজিডিসিএলের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে মেরামত করতে হবে। অন্যথায় গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪ ও গ্যাস আইন-২০১০ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন