নজরবিডি, ৯ জানুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার এবং সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব: ড. খলিলুর রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত বাংলাদেশি পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি।
বাণিজ্য ঘাটতি সমন্বয়: উপদেষ্টা জানান, আনুষ্ঠানিক চুক্তির আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
ভিসা ও ভ্রমণ সুবিধা: সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ভিসা বন্ডে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যাতায়াত আরও সহজ করার আহ্বান জানান।
ডিএফসি তহবিল: বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য DFC (Development Finance Corporation) তহবিল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। উভয় পক্ষই দ্রুততম সময়ের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত এবং অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে একমত পোষণ করেছেন।
এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আশা করা হচ্ছে, এই আলোচনার ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৯ জানুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার এবং সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব: ড. খলিলুর রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত বাংলাদেশি পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি।
বাণিজ্য ঘাটতি সমন্বয়: উপদেষ্টা জানান, আনুষ্ঠানিক চুক্তির আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
ভিসা ও ভ্রমণ সুবিধা: সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ভিসা বন্ডে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যাতায়াত আরও সহজ করার আহ্বান জানান।
ডিএফসি তহবিল: বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য DFC (Development Finance Corporation) তহবিল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। উভয় পক্ষই দ্রুততম সময়ের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত এবং অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে একমত পোষণ করেছেন।
এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আশা করা হচ্ছে, এই আলোচনার ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন