নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আপিল শুনানি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, "আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন হোক। এই লক্ষ্য থেকেই আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টি শিথিল করেছি।"
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে টানা নয়দিনের আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শুনানি শেষে সিইসি বলেন, "অনেকেই হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের বিষয়টি আমরা কীভাবে সহজ করে দিয়েছি, তা আপনারা দেখেছেন। আমাদের মূল উদ্দেশ্য নির্বাচনটিকে অংশগ্রহণমূলক করা। তবে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সফল করা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমি আমার এবং আমার টিমের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করতে পারি—কোনো পক্ষপাতিত্ব করে আমরা কোনো জাজমেন্ট দেইনি। অনেক বিচার-বিবেচনা এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেছি।"
শুনানিতে প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করে নাসির উদ্দিন বলেন, "আপনারা যেভাবে কোয়ারি করেছেন এবং জবাব দিয়েছেন, আমি দেখে অভিভূত। আমাদের আলেম-ওলামারা একে ‘বাহাস’ বলেন। আপনাদের এই ধৈর্যশীল আচরণের জন্য ইসির পক্ষ থেকে মোবারকবাদ জানাই।"
এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ঋণ খেলাপিদের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে বলেন, "যেসব ঋণ খেলাপিকে আমরা ছাড় দিয়েছি, তা কিছুটা মনে কষ্ট নিয়েই দিয়েছি। শুধুমাত্র আইন তাদের অনুমতি (পারমিট) দিয়েছে বিধায় আমরা তাদের প্রার্থিতা বৈধ করতে বাধ্য হয়েছি।"
উল্লেখ্য, গত ৯ দিন ধরে চলা এই আপিল শুনানিতে শত শত প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে, যা আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথকে আরও স্পষ্ট করল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আপিল শুনানি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, "আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন হোক। এই লক্ষ্য থেকেই আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টি শিথিল করেছি।"
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে টানা নয়দিনের আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শুনানি শেষে সিইসি বলেন, "অনেকেই হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের বিষয়টি আমরা কীভাবে সহজ করে দিয়েছি, তা আপনারা দেখেছেন। আমাদের মূল উদ্দেশ্য নির্বাচনটিকে অংশগ্রহণমূলক করা। তবে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সফল করা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমি আমার এবং আমার টিমের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করতে পারি—কোনো পক্ষপাতিত্ব করে আমরা কোনো জাজমেন্ট দেইনি। অনেক বিচার-বিবেচনা এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেছি।"
শুনানিতে প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করে নাসির উদ্দিন বলেন, "আপনারা যেভাবে কোয়ারি করেছেন এবং জবাব দিয়েছেন, আমি দেখে অভিভূত। আমাদের আলেম-ওলামারা একে ‘বাহাস’ বলেন। আপনাদের এই ধৈর্যশীল আচরণের জন্য ইসির পক্ষ থেকে মোবারকবাদ জানাই।"
এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ঋণ খেলাপিদের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে বলেন, "যেসব ঋণ খেলাপিকে আমরা ছাড় দিয়েছি, তা কিছুটা মনে কষ্ট নিয়েই দিয়েছি। শুধুমাত্র আইন তাদের অনুমতি (পারমিট) দিয়েছে বিধায় আমরা তাদের প্রার্থিতা বৈধ করতে বাধ্য হয়েছি।"
উল্লেখ্য, গত ৯ দিন ধরে চলা এই আপিল শুনানিতে শত শত প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে, যা আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথকে আরও স্পষ্ট করল।

আপনার মতামত লিখুন