ঢাকা (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬):
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১ লাখ, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ জন, পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, র্যাব ৭ হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী দুই পর্বে বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা পর্যন্ত সব কার্যক্রম রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সদস্যরা ২৫ হাজার বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।
তিনি জানান, এবার প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ নির্বাচনি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে, যা আগামী ২০ জানুয়ারি শেষ হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা তদারকিতে ৪১৮টি ড্রোন এবং ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ–২০২৬’, যা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) তৈরি করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধান করতে পারবে।
দুর্গম এলাকায় ব্যালট ও নির্বাচনি সামগ্রী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন পূর্ববর্তী চার দিন সারাদেশে নিবিড় টহল চালানো হবে এবং চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত বা প্রভাবিত করতে পারে—এমন যেকোনো অপতৎপরতা অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।
সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬):
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১ লাখ, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ জন, পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, র্যাব ৭ হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী দুই পর্বে বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা পর্যন্ত সব কার্যক্রম রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সদস্যরা ২৫ হাজার বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।
তিনি জানান, এবার প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ নির্বাচনি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে, যা আগামী ২০ জানুয়ারি শেষ হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা তদারকিতে ৪১৮টি ড্রোন এবং ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ–২০২৬’, যা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) তৈরি করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধান করতে পারবে।
দুর্গম এলাকায় ব্যালট ও নির্বাচনি সামগ্রী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন পূর্ববর্তী চার দিন সারাদেশে নিবিড় টহল চালানো হবে এবং চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত বা প্রভাবিত করতে পারে—এমন যেকোনো অপতৎপরতা অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।
সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন