আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এক নির্দেশনায় আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে সকল বৈধ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা অনুমোদিত ডিলারের নিকট জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত।
জমাকৃত অস্ত্রসমূহ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫:০০ ঘটিকা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা বা সেফ কিপিং-এ জমা থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও সংস্থাকে এই আদেশের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তারা হলেন: ১. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। ২. সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি দপ্তর এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী। ৩. 'আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫' অনুযায়ী যাদের মনোনয়ন বৈধভাবে গৃহীত হয়েছে, সেই সকল জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাদের সশস্ত্র রিটেইনার।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন নিশ্চিত করতেই জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এক নির্দেশনায় আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে সকল বৈধ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা অনুমোদিত ডিলারের নিকট জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত।
জমাকৃত অস্ত্রসমূহ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫:০০ ঘটিকা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা বা সেফ কিপিং-এ জমা থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও সংস্থাকে এই আদেশের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তারা হলেন: ১. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। ২. সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি দপ্তর এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী। ৩. 'আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫' অনুযায়ী যাদের মনোনয়ন বৈধভাবে গৃহীত হয়েছে, সেই সকল জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাদের সশস্ত্র রিটেইনার।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন নিশ্চিত করতেই জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন