ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের দিন সংঘটিত যে কোনো ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে সরাসরি দায়ী করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
একইসঙ্গে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে 'উসকানিমূলক' আখ্যা দিয়ে দিল্লির ভূমিকার প্রতি গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান এবং আসন্ন নির্বাচন বানচালে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি রয়েছে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশি মাটিতে বসে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে 'সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি' বলে মনে করছে ঢাকা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভন্ডুল করতে উসকানি দিচ্ছেন। এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল।
অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, ভারতকে বারবার শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও তারা তা পালন করেনি। উল্টো তাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি 'বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত'।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, "আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার জন্য আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের দিন সংঘটিত যে কোনো ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে সরাসরি দায়ী করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
একইসঙ্গে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে 'উসকানিমূলক' আখ্যা দিয়ে দিল্লির ভূমিকার প্রতি গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান এবং আসন্ন নির্বাচন বানচালে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি রয়েছে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশি মাটিতে বসে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে 'সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি' বলে মনে করছে ঢাকা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভন্ডুল করতে উসকানি দিচ্ছেন। এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল।
অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, ভারতকে বারবার শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও তারা তা পালন করেনি। উল্টো তাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি 'বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত'।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, "আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার জন্য আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।"

আপনার মতামত লিখুন