শালীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে সেই শালীর অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় জমে ওঠে তীব্র ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে শালীর স্বামীকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শালীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল দুলাভাইয়ের। কিন্তু শালী অন্য একজনকে বিয়ে করায় সেই ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো স্বামীকে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৯ বছর বয়সী কিশোর রাজু মিঞা হত্যার তদন্তে এমন লোমহর্ষক তথ্য বের করে এনেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন ফিরোজ।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, ঘাতক ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি রাউজান এলাকায় এবং তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। বাড়িতে থাকার সময় তিনি তার স্ত্রীর ছোট বোনের (শালী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পরবর্তীতে তার শালী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান এবং সামাজিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি ফিরোজ এবং তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম। সেই প্রতিহিংসা থেকেই রাজুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক আঁকেন তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি ‘থ্রি-পিস’ উপহার দেওয়ার কথা বলে নির্জন খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। রাজু সেখানে পৌঁছামাত্রই ফিরোজ ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেট, গলা ও পিঠে উপুর্যপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এরপর মরদেহ খালের ঢালে বালুচাপা দিয়ে পালিয়ে যান।
গত ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সেগুন বাগানের পাশ থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত মঙ্গলবার কুমিল্লার কোতোয়ালী এলাকা থেকে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে ফটিকছড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন শাশুড়ি ফাতেমা বেগম। পুলিশ খাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং বাগান থেকে সেই থ্রি-পিসটিও উদ্ধার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, রাজু নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছিল। মূল আসামিরা এখন শ্রীঘরে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
শালীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে সেই শালীর অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় জমে ওঠে তীব্র ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে শালীর স্বামীকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শালীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল দুলাভাইয়ের। কিন্তু শালী অন্য একজনকে বিয়ে করায় সেই ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো স্বামীকে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৯ বছর বয়সী কিশোর রাজু মিঞা হত্যার তদন্তে এমন লোমহর্ষক তথ্য বের করে এনেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন ফিরোজ।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, ঘাতক ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি রাউজান এলাকায় এবং তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। বাড়িতে থাকার সময় তিনি তার স্ত্রীর ছোট বোনের (শালী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পরবর্তীতে তার শালী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান এবং সামাজিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি ফিরোজ এবং তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম। সেই প্রতিহিংসা থেকেই রাজুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক আঁকেন তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি ‘থ্রি-পিস’ উপহার দেওয়ার কথা বলে নির্জন খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। রাজু সেখানে পৌঁছামাত্রই ফিরোজ ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেট, গলা ও পিঠে উপুর্যপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এরপর মরদেহ খালের ঢালে বালুচাপা দিয়ে পালিয়ে যান।
গত ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সেগুন বাগানের পাশ থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত মঙ্গলবার কুমিল্লার কোতোয়ালী এলাকা থেকে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে ফটিকছড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন শাশুড়ি ফাতেমা বেগম। পুলিশ খাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং বাগান থেকে সেই থ্রি-পিসটিও উদ্ধার করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, রাজু নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছিল। মূল আসামিরা এখন শ্রীঘরে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন