আগামীকাল রোববারের (৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে হজযাত্রীদের কোরবানির (আদাহি) ও সব পরিবহন সংক্রান্ত খরচ পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে ভিসা প্রক্রিয়ায়
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আগামী ২৬ মে অনুষ্ঠিতব্য পবিত্র হজের প্রস্তুতিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) এর মধ্যে সকল হজযাত্রীকে কোরবানির (আদাহি) খরচ এবং মাশায়ের ট্রান্সপোর্টসহ যাবতীয় পরিবহন ব্যয় পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট হাজীদের ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের জটিলতা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে 'হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (হাব) এবং সংশ্লিষ্ট লিড এজেন্সিগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই জরুরি আদেশ প্রদান করা হয়।
সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে পাঠানো এক বার্তার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে: নির্ধারিত সময়সীমা: ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোরবানির পেমেন্ট এবং পরিবহন সংক্রান্ত সব ব্যয় সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। ভিসা জটিলতা: এই অর্থ পরিশোধ না করা হলে সৌদি ই-হজ সিস্টেমে হজযাত্রীদের তথ্য ও ভিসা প্রসেসিং আটকে যেতে পারে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে সকল হজ এজেন্সির মালিক ও মোনাজ্জেমদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা কাল বিলম্ব না করে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের অধীনে থাকা হজযাত্রীদের কোরবানির পেমেন্ট এবং মাশায়ের ট্রান্সপোর্ট খরচ পরিশোধ নিশ্চিত করেন।
হজের সম্ভাব্য তারিখ: ২৬ মে ২০২৬ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। হজ ফ্লাইট শুরু: ১৮ এপ্রিল ২০২৬। মোট হজযাত্রী: এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন।
হজযাত্রীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি বা ভিসা না পাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এজেন্সিগুলোকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামীকাল রোববারের (৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে হজযাত্রীদের কোরবানির (আদাহি) ও সব পরিবহন সংক্রান্ত খরচ পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে ভিসা প্রক্রিয়ায়
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আগামী ২৬ মে অনুষ্ঠিতব্য পবিত্র হজের প্রস্তুতিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) এর মধ্যে সকল হজযাত্রীকে কোরবানির (আদাহি) খরচ এবং মাশায়ের ট্রান্সপোর্টসহ যাবতীয় পরিবহন ব্যয় পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট হাজীদের ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের জটিলতা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে 'হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (হাব) এবং সংশ্লিষ্ট লিড এজেন্সিগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই জরুরি আদেশ প্রদান করা হয়।
সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে পাঠানো এক বার্তার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে: নির্ধারিত সময়সীমা: ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোরবানির পেমেন্ট এবং পরিবহন সংক্রান্ত সব ব্যয় সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। ভিসা জটিলতা: এই অর্থ পরিশোধ না করা হলে সৌদি ই-হজ সিস্টেমে হজযাত্রীদের তথ্য ও ভিসা প্রসেসিং আটকে যেতে পারে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে সকল হজ এজেন্সির মালিক ও মোনাজ্জেমদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা কাল বিলম্ব না করে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের অধীনে থাকা হজযাত্রীদের কোরবানির পেমেন্ট এবং মাশায়ের ট্রান্সপোর্ট খরচ পরিশোধ নিশ্চিত করেন।
হজের সম্ভাব্য তারিখ: ২৬ মে ২০২৬ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। হজ ফ্লাইট শুরু: ১৮ এপ্রিল ২০২৬। মোট হজযাত্রী: এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন।
হজযাত্রীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি বা ভিসা না পাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এজেন্সিগুলোকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন