১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করায় যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে সেসব আসন চিহ্নিত করে আরপিও অনুযায়ী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফলাফল জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখল ও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশের তীব্র সমালোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করায় অনেক আসনে আরপিও অনুযায়ী ভোট পুনঃগণনার সুযোগ থেকে প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। এই অনিয়ম মোকাবিলায় ৩০টির বেশি আসনে কারচুপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে যাওয়া এবং উচ্চ আদালতে রিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটটি।
বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল 'জুলাই সনদ' ও সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন। ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন: "জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ 'হ্যাঁ' জয়যুক্ত করেছে। ফলে সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০টি আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবে। এক্ষেত্রে কোনো দলের 'নোট অব ডিসেন্ট' বা ভিন্নমতের সুযোগ নেই; কারণ জনগণ ভোটের মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।"
জোটের পক্ষ থেকে সংসদ চালু হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধ না হলে জনগণকে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে ১১ দলীয় ঐক্য। বৈঠকে ফ্যাসিবাদীদের সাথে কোনো ধরনের আঁতাত না করে জনপ্রত্যাশার আলোকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও এনসিপি, খেলাফত মজলিস, জাগপা ও লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত অন্যান্য দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করায় যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে সেসব আসন চিহ্নিত করে আরপিও অনুযায়ী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফলাফল জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখল ও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশের তীব্র সমালোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করায় অনেক আসনে আরপিও অনুযায়ী ভোট পুনঃগণনার সুযোগ থেকে প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। এই অনিয়ম মোকাবিলায় ৩০টির বেশি আসনে কারচুপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে যাওয়া এবং উচ্চ আদালতে রিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটটি।
বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল 'জুলাই সনদ' ও সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন। ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন: "জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ 'হ্যাঁ' জয়যুক্ত করেছে। ফলে সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০টি আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবে। এক্ষেত্রে কোনো দলের 'নোট অব ডিসেন্ট' বা ভিন্নমতের সুযোগ নেই; কারণ জনগণ ভোটের মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।"
জোটের পক্ষ থেকে সংসদ চালু হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধ না হলে জনগণকে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে ১১ দলীয় ঐক্য। বৈঠকে ফ্যাসিবাদীদের সাথে কোনো ধরনের আঁতাত না করে জনপ্রত্যাশার আলোকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও এনসিপি, খেলাফত মজলিস, জাগপা ও লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত অন্যান্য দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

আপনার মতামত লিখুন