বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনার সাক্ষী হলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে তিনি দেশের তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সরকারকে শপথবাক্য পাঠ করালেন। ২০২৪ থেকে ২০২৬—পরপর তিন বছর তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে এবং তার নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এর মাধ্যমেই পূর্ণ হলো রাষ্ট্রপতির এই ‘হ্যাট্রিক’ শপথ পড়ানোর রেকর্ড।
শেখ হাসিনার সরকার ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে শপথ পড়িয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই সরকারের পতন ঘটে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই উত্তাল সময়ে বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
তারেক রহমানের বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রপতিকে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতায় গঠিত সরকারকে শপথ পড়াতে দেখা যায়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের এই ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনার সাক্ষী হলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে তিনি দেশের তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সরকারকে শপথবাক্য পাঠ করালেন। ২০২৪ থেকে ২০২৬—পরপর তিন বছর তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে এবং তার নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এর মাধ্যমেই পূর্ণ হলো রাষ্ট্রপতির এই ‘হ্যাট্রিক’ শপথ পড়ানোর রেকর্ড।
শেখ হাসিনার সরকার ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে শপথ পড়িয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই সরকারের পতন ঘটে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই উত্তাল সময়ে বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
তারেক রহমানের বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রপতিকে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতায় গঠিত সরকারকে শপথ পড়াতে দেখা যায়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের এই ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন