মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, টিমওয়ার্কের ওপর জোর শ্রমমন্ত্রীর
ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে দলগতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “আমাদের মিশন একটাই—মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে টিমওয়ার্কের বিকল্প নেই।”
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এ প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে কী কী কাজ হয়েছে তা পর্যালোচনা করে ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করা হবে। আগামী ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। রুলস অব বিজনেস বা কার্যবিধিমালার বাইরে আমরা যাব না। যেখানে যা প্রয়োজন, তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। আমরা সবাই মিলে মানুষের জন্য কাজ করব।”
রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে শ্রমঘন শিল্পখাতে যাতে কোনো শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।
সভায় নবযোগদানকৃত প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক বলেন, প্রথম তিন মাসের একটি ওয়ার্ক প্ল্যান তৈরি করতে হবে, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ দেখানো যায়। তিনি জানান, সাবেক উপদেষ্টার দেওয়া বিভিন্ন পরামর্শ বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং ঈদের সময় সম্ভাব্য শ্রমসংক্রান্ত সমস্যাগুলো আগেই চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব সারোয়ার জাহান ভূইয়াসহ মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, টিমওয়ার্কের ওপর জোর শ্রমমন্ত্রীর
ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে দলগতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “আমাদের মিশন একটাই—মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে টিমওয়ার্কের বিকল্প নেই।”
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এ প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে কী কী কাজ হয়েছে তা পর্যালোচনা করে ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করা হবে। আগামী ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। রুলস অব বিজনেস বা কার্যবিধিমালার বাইরে আমরা যাব না। যেখানে যা প্রয়োজন, তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। আমরা সবাই মিলে মানুষের জন্য কাজ করব।”
রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে শ্রমঘন শিল্পখাতে যাতে কোনো শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।
সভায় নবযোগদানকৃত প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক বলেন, প্রথম তিন মাসের একটি ওয়ার্ক প্ল্যান তৈরি করতে হবে, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ দেখানো যায়। তিনি জানান, সাবেক উপদেষ্টার দেওয়া বিভিন্ন পরামর্শ বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং ঈদের সময় সম্ভাব্য শ্রমসংক্রান্ত সমস্যাগুলো আগেই চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব সারোয়ার জাহান ভূইয়াসহ মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন