আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির সভায় এই প্রকল্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে:
দেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে পাইলটিংয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০ মার্চ এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে।
পরবর্তী চার মাসের মধ্যে পাইলটিং সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির সুবিধাবঞ্চিত নারীরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন।
কার্ডধারী প্রত্যেক নারী প্রতি মাসে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। ঘরে বসে নয়, সরাসরি মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুল এড়াতে ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা থাকবে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা ও পরিমার্জনে কাজ করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির সভায় এই প্রকল্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে:
দেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে পাইলটিংয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০ মার্চ এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে।
পরবর্তী চার মাসের মধ্যে পাইলটিং সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির সুবিধাবঞ্চিত নারীরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন।
কার্ডধারী প্রত্যেক নারী প্রতি মাসে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। ঘরে বসে নয়, সরাসরি মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুল এড়াতে ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা থাকবে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা ও পরিমার্জনে কাজ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন