আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, পেছনের দিকে নয়। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে নবায়ন করতে চাই
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, "আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্ককে নবায়ন করতে চাই। দু’দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং একে শক্তি হিসেবে দেখতে চাই।"
সাক্ষাৎকারে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়:
ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো দ্রুত পূর্ণোদ্যমে চালুকরণ এবং ভিসা প্রদানের হার বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। হাইকমিশনার জানান, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।
ভারতীয় স্থাপনা ও ভিসা সেন্টারে কোনো ধরনের মব হামলা হবে না মর্মে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। সাইবার অপরাধ দমনে ডিএমপির বিশেষ ইউনিটগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তে হত্যার সংখ্যা দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য জোরালো আহ্বান জানান।
বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন এবং ভারতের ITEC প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান। ভারতীয় হাইকমিশনারও দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, পেছনের দিকে নয়। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে নবায়ন করতে চাই
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, "আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্ককে নবায়ন করতে চাই। দু’দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং একে শক্তি হিসেবে দেখতে চাই।"
সাক্ষাৎকারে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়:
ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো দ্রুত পূর্ণোদ্যমে চালুকরণ এবং ভিসা প্রদানের হার বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। হাইকমিশনার জানান, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।
ভারতীয় স্থাপনা ও ভিসা সেন্টারে কোনো ধরনের মব হামলা হবে না মর্মে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। সাইবার অপরাধ দমনে ডিএমপির বিশেষ ইউনিটগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তে হত্যার সংখ্যা দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য জোরালো আহ্বান জানান।
বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন এবং ভারতের ITEC প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান। ভারতীয় হাইকমিশনারও দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন