নজর বিডি

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের সুপারিশ: ১২ দফা দাবি

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের সুপারিশ: ১২ দফা দাবি

আসন্ন ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করাসহ ১২ দফা সুপারিশ জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। 


নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে ১২ দফা সুপারিশ পেশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (৯ মার্চ) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা থেকে প্রায় এক কোটির বেশি এবং সারাদেশে আন্তঃজেলায় প্রায় ৪ কোটি মানুষ ঈদের ছুটিতে যাতায়াত করবেন। বিপুল এই যাত্রীচাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ও মানসম্মত গণপরিবহন না থাকায় অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন। এই সুযোগে অসাধু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় নামায়, যা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ১২ দফা সুপারিশ:

১. ছাত্র-যুবকদের সম্পৃক্তকরণ: সড়ক শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের কাজে লাগানো।

২. সচেতনতামূলক প্রচারণা: বিটিআরসি-এর মাধ্যমে ফেসবুক ও টেলিভিশনে ব্যাপক প্রচারণা চালানো।

৩. বিকল্প পরিবহন: ঘাটতি মেটাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের পরিবহন ব্যবহার করা।

৪. ত্রুটিপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ: ফিটনেসবিহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।

৫. সিটি সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ: ঢাকা বা অন্যান্য শহরের সিটি সার্ভিস বাস যাতে মহাসড়কে না নামে তা নিশ্চিত করা।

৬. চাঁদাবাজি রোধ: সড়কে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ।

৭. ডাকাতি প্রতিরোধ: রাতের বাসে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল জোরদার।

৮. অবকাঠামো উন্নয়ন: সড়কে পর্যাপ্ত আলো, সাইন-মার্কিং ও স্পিড ব্রেকারের সঠিক ব্যবস্থাপনা।

৯. অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণ: নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা নিলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

১০. ফিরতি যাত্রায় গুরুত্ব: যাওয়ার মতো ফিরে আসার সময়ও সমান শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

১১. স্যানিটেশন ব্যবস্থা: দীর্ঘ যানজট বিবেচনায় সড়কে মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করা।

১২. চিকিৎসা সেবা: জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা জোরদার করা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের সুপারিশ: ১২ দফা দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

আসন্ন ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করাসহ ১২ দফা সুপারিশ জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। 


নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে ১২ দফা সুপারিশ পেশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (৯ মার্চ) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা থেকে প্রায় এক কোটির বেশি এবং সারাদেশে আন্তঃজেলায় প্রায় ৪ কোটি মানুষ ঈদের ছুটিতে যাতায়াত করবেন। বিপুল এই যাত্রীচাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ও মানসম্মত গণপরিবহন না থাকায় অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন। এই সুযোগে অসাধু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় নামায়, যা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ১২ দফা সুপারিশ:

১. ছাত্র-যুবকদের সম্পৃক্তকরণ: সড়ক শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের কাজে লাগানো।

২. সচেতনতামূলক প্রচারণা: বিটিআরসি-এর মাধ্যমে ফেসবুক ও টেলিভিশনে ব্যাপক প্রচারণা চালানো।

৩. বিকল্প পরিবহন: ঘাটতি মেটাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের পরিবহন ব্যবহার করা।

৪. ত্রুটিপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ: ফিটনেসবিহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।

৫. সিটি সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ: ঢাকা বা অন্যান্য শহরের সিটি সার্ভিস বাস যাতে মহাসড়কে না নামে তা নিশ্চিত করা।

৬. চাঁদাবাজি রোধ: সড়কে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ।

৭. ডাকাতি প্রতিরোধ: রাতের বাসে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল জোরদার।

৮. অবকাঠামো উন্নয়ন: সড়কে পর্যাপ্ত আলো, সাইন-মার্কিং ও স্পিড ব্রেকারের সঠিক ব্যবস্থাপনা।

৯. অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণ: নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা নিলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

১০. ফিরতি যাত্রায় গুরুত্ব: যাওয়ার মতো ফিরে আসার সময়ও সমান শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

১১. স্যানিটেশন ব্যবস্থা: দীর্ঘ যানজট বিবেচনায় সড়কে মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা করা।

১২. চিকিৎসা সেবা: জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা জোরদার করা।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত