অবৈধ মাদকদ্রব্য শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এভসেক কর্তৃপক্ষ এবং বিমানবন্দরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ এক সৌদি আরবগামী যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট সংখ্যা ৪,৩৬৪ পিস।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত সোমবার (৯ মার্চ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট (BS-381) এর এক যাত্রীর মালামাল স্ক্যানিং করার সময় এই ঘটনা ঘটে।
বোর্ডিং ব্রিজ নম্বর C-2 এ প্রি-বোর্ডিং নিরাপত্তা তল্লাশির সময় দায়িত্বরত স্ক্রিনারের নজরে যাত্রীর ব্যাগে সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়ে।
সঙ্গে সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জানানো হয়। তারা উপস্থিত হয়ে ব্যাগ তল্লাশি করে ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত যাত্রীকে অফলোড করা হয় এবং পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এভসেক সদস্যদের নিখুঁত স্ক্রিনিং এবং পেশাদারিত্বের কারণেই মাদকের এই বড় চালানটি ধরা সম্ভব হয়েছে। এই সফল অভিযান বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
অবৈধ মাদকদ্রব্য শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এভসেক কর্তৃপক্ষ এবং বিমানবন্দরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ এক সৌদি আরবগামী যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট সংখ্যা ৪,৩৬৪ পিস।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত সোমবার (৯ মার্চ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট (BS-381) এর এক যাত্রীর মালামাল স্ক্যানিং করার সময় এই ঘটনা ঘটে।
বোর্ডিং ব্রিজ নম্বর C-2 এ প্রি-বোর্ডিং নিরাপত্তা তল্লাশির সময় দায়িত্বরত স্ক্রিনারের নজরে যাত্রীর ব্যাগে সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়ে।
সঙ্গে সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জানানো হয়। তারা উপস্থিত হয়ে ব্যাগ তল্লাশি করে ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্ত যাত্রীকে অফলোড করা হয় এবং পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এভসেক সদস্যদের নিখুঁত স্ক্রিনিং এবং পেশাদারিত্বের কারণেই মাদকের এই বড় চালানটি ধরা সম্ভব হয়েছে। এই সফল অভিযান বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন