চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুতের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
সীতাকুণ্ডের সলিমপুর এলাকায় অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে প্রায় ২৫ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনভোগান্তি বাড়ায়, তারা ব্যবসায়ী নয় বরং অপরাধী ও রাষ্ট্রের শত্রু।
নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সলিমপুরের সিটি আবাসিক গেট সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে পরিবহনের সময় জ্বালানি তেল সরিয়ে গোপনে এখানে মজুত করছিল। অভিযানে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত তেল পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অভিযান প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, "গত ২৭ মার্চ থেকে আমাদের এই সাঁড়াশি অভিযান চলছে। সেদিন ৬ হাজার লিটার এবং আজ ২৫ হাজার লিটার তেল উদ্ধার হলো। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অত্যন্ত তৎপর রয়েছে।"
জ্বালানি সংকট নিয়ে ছড়ানো গুজব নাকচ করে দিয়ে তিনি আরও বলেন, "দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। আজকেও সিঙ্গাপুর থেকে ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে, যা আগামীকাল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। গত দুদিনে আরও দুটি জাহাজ থেকে তেল খালাস হয়েছে। তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রয়োজন নেই।" বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের স্বাভাবিকভাবে তেল সংগ্রহের পরামর্শ দেন তিনি।
উল্লেখ্য, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৯৮টি অভিযান চালিয়েছে। এতে প্রায় ৪ থেকে ৪.৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং ২০টির মতো মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুতের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
সীতাকুণ্ডের সলিমপুর এলাকায় অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে প্রায় ২৫ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনভোগান্তি বাড়ায়, তারা ব্যবসায়ী নয় বরং অপরাধী ও রাষ্ট্রের শত্রু।
নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সলিমপুরের সিটি আবাসিক গেট সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে পরিবহনের সময় জ্বালানি তেল সরিয়ে গোপনে এখানে মজুত করছিল। অভিযানে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত তেল পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অভিযান প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, "গত ২৭ মার্চ থেকে আমাদের এই সাঁড়াশি অভিযান চলছে। সেদিন ৬ হাজার লিটার এবং আজ ২৫ হাজার লিটার তেল উদ্ধার হলো। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অত্যন্ত তৎপর রয়েছে।"
জ্বালানি সংকট নিয়ে ছড়ানো গুজব নাকচ করে দিয়ে তিনি আরও বলেন, "দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। আজকেও সিঙ্গাপুর থেকে ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে, যা আগামীকাল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। গত দুদিনে আরও দুটি জাহাজ থেকে তেল খালাস হয়েছে। তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রয়োজন নেই।" বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের স্বাভাবিকভাবে তেল সংগ্রহের পরামর্শ দেন তিনি।
উল্লেখ্য, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৯৮টি অভিযান চালিয়েছে। এতে প্রায় ৪ থেকে ৪.৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং ২০টির মতো মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন