ঢাকা | ৫ এপ্রিল, ২০২৬
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩২টি সক্রিয় সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সুদান গৃহযুদ্ধ, মিয়ানমার গৃহযুদ্ধ এবং গাজা সংকট। এসব সংঘাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে আরও নাজুক করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া, পরিবহন খাতে বিপর্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে উঠবে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় খাদ্য সংকটের ঝুঁকিও বাড়বে।
এদিকে, আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমে যাওয়ায় অনেক উন্নয়নশীল দেশ অর্থনৈতিক চাপে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতিকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি’ হিসেবে বিবেচনা করছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়, বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানি, খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় কৃচ্ছ্রতা নীতির মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। আমরা সাশ্রয়ী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং অভ্যন্তরীণ সাশ্রয় নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সম্ভাব্য এই বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব কিছুটা হলেও মোকাবিলা করা সম্ভব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা | ৫ এপ্রিল, ২০২৬
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩২টি সক্রিয় সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সুদান গৃহযুদ্ধ, মিয়ানমার গৃহযুদ্ধ এবং গাজা সংকট। এসব সংঘাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে আরও নাজুক করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া, পরিবহন খাতে বিপর্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে উঠবে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় খাদ্য সংকটের ঝুঁকিও বাড়বে।
এদিকে, আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমে যাওয়ায় অনেক উন্নয়নশীল দেশ অর্থনৈতিক চাপে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতিকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি’ হিসেবে বিবেচনা করছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়, বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানি, খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় কৃচ্ছ্রতা নীতির মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। আমরা সাশ্রয়ী না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং অভ্যন্তরীণ সাশ্রয় নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সম্ভাব্য এই বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব কিছুটা হলেও মোকাবিলা করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন