বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম সাধারণত ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। তবে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ না করলে যেকোনো বয়সের মানুষই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লাল ফুসকুড়ি—এসবই হাম রোগের প্রধান লক্ষণ।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, হাম রোগের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক চিকিৎসা না থাকলেও সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। জ্বর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
তারা আরও জানান, সময়মতো টিকা গ্রহণই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। দেশে সরকারি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ে এমএমআর (MMR) টিকা প্রদান করা হয়, যা হাম থেকে সুরক্ষা দেয়।
সচেতন মহলের মতে, অভিভাবকদের উচিত শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং হাম রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম সাধারণত ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। তবে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ না করলে যেকোনো বয়সের মানুষই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লাল ফুসকুড়ি—এসবই হাম রোগের প্রধান লক্ষণ।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, হাম রোগের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক চিকিৎসা না থাকলেও সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। জ্বর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
তারা আরও জানান, সময়মতো টিকা গ্রহণই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। দেশে সরকারি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ে এমএমআর (MMR) টিকা প্রদান করা হয়, যা হাম থেকে সুরক্ষা দেয়।
সচেতন মহলের মতে, অভিভাবকদের উচিত শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং হাম রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

আপনার মতামত লিখুন