ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অসুস্থতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রার্থীদের অসুস্থতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে কমিশন সোমবার (৬ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
নির্বাচন ভবনে ১১তম কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, আরপিও অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা গত ২৫ মার্চ শেষ হলেও অনেক প্রার্থী আবেদনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সময়ের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই এই সময় বর্ধিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব না দিলে জেল, জরিমানা বা প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনী ব্যয় করতে পারেন।
সভার অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে জাতীয় ভোটার দিবস পালন নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে বর্তমানে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান সচিব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অসুস্থতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রার্থীদের অসুস্থতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে কমিশন সোমবার (৬ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
নির্বাচন ভবনে ১১তম কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, আরপিও অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা গত ২৫ মার্চ শেষ হলেও অনেক প্রার্থী আবেদনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সময়ের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই এই সময় বর্ধিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব না দিলে জেল, জরিমানা বা প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনী ব্যয় করতে পারেন।
সভার অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে জাতীয় ভোটার দিবস পালন নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে বর্তমানে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান সচিব।

আপনার মতামত লিখুন