মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতিতে ঝুঁকি: তথ্যমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিদেশে কর্মী যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেলে খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ার শঙ্কা দেখছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বিশেষ করে বিদেশে কর্মী পাঠানো বন্ধ হয়ে গেলে রেমিটেন্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং’ শীর্ষক ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুটি উৎস হলো তৈরি পোশাক খাত ও প্রবাসী আয়ের রেমিটেন্স। স্বল্প দক্ষ ও কম মজুরির শ্রমশক্তির কারণে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে আছে। তবে বিনিয়োগকারীরা যদি চীন বা ভিয়েতনামের মতো দেশে বেশি দামে পণ্য কিনতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় দ্রুত কমে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড দীর্ঘদিন থাকবে না। ২০৪০-৪৫ সালের পর এ সুবিধা কমে যাবে। তাই এই সময়ের মধ্যেই দেশের সক্ষমতাকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অনেক দেশ বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে। এতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইতোমধ্যে কিছু দেশ বিদেশি শ্রমিক নেওয়া সীমিত করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে—বিদেশি বিনিয়োগ আনা, দক্ষ জনবল বিদেশে পাঠানো এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভূ-রাজনৈতিকভাবে এমন অবস্থানে নেই যে অন্য কোনো কৌশলগত সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে। তাই সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে হবে এবং নতুন আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতিতে ঝুঁকি: তথ্যমন্ত্রী
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিদেশে কর্মী যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেলে খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ার শঙ্কা দেখছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বিশেষ করে বিদেশে কর্মী পাঠানো বন্ধ হয়ে গেলে রেমিটেন্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং’ শীর্ষক ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুটি উৎস হলো তৈরি পোশাক খাত ও প্রবাসী আয়ের রেমিটেন্স। স্বল্প দক্ষ ও কম মজুরির শ্রমশক্তির কারণে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে আছে। তবে বিনিয়োগকারীরা যদি চীন বা ভিয়েতনামের মতো দেশে বেশি দামে পণ্য কিনতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় দ্রুত কমে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড দীর্ঘদিন থাকবে না। ২০৪০-৪৫ সালের পর এ সুবিধা কমে যাবে। তাই এই সময়ের মধ্যেই দেশের সক্ষমতাকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অনেক দেশ বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে। এতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইতোমধ্যে কিছু দেশ বিদেশি শ্রমিক নেওয়া সীমিত করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে—বিদেশি বিনিয়োগ আনা, দক্ষ জনবল বিদেশে পাঠানো এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভূ-রাজনৈতিকভাবে এমন অবস্থানে নেই যে অন্য কোনো কৌশলগত সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে। তাই সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে হবে এবং নতুন আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন