সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি’র সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি’র সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, দুর্ঘটনা হ্রাসে করণীয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
[caption id="attachment_25234" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি,কম[/caption]
সাক্ষাৎকালে সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার ইতোমধ্যে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, মহাসড়কে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার এবং আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য কাজ চলছে। তিনি বলেন, “নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক আন্দোলনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম, গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্পৃক্ততা সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি নিরাপদ সড়ক চাই-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
নিসচার প্রতিনিধিদল জানায়, সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে বর্তমান সরকারের কার্যক্রম এবং মন্ত্রীর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মহাসড়কে গতিনিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, চালকদের প্রশিক্ষণ উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে কাজ করলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যাবে।”
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথভাবে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যক্রম জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি’র সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি’র সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, দুর্ঘটনা হ্রাসে করণীয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
[caption id="attachment_25234" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি,কম[/caption]
সাক্ষাৎকালে সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার ইতোমধ্যে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, মহাসড়কে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার এবং আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য কাজ চলছে। তিনি বলেন, “নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক আন্দোলনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম, গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্পৃক্ততা সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি নিরাপদ সড়ক চাই-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
নিসচার প্রতিনিধিদল জানায়, সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে বর্তমান সরকারের কার্যক্রম এবং মন্ত্রীর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মহাসড়কে গতিনিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, চালকদের প্রশিক্ষণ উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে কাজ করলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যাবে।”
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথভাবে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যক্রম জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন