স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। এসময় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলো নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা ছিল। রমজান ও ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যদিবস কম থাকলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিজি প্রেসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই বিশাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত না হওয়ায় একটি ‘বিশেষ সংসদীয় কমিটি’র মাধ্যমে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, পর্যালোচনার পর ৯৮টি অধ্যাদেশ অবিকল (As it is) অবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরবর্তী অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংশোধিত বা রহিতকরণের তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিল সংখ্যা নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বিভ্রান্তির জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, মূল অধ্যাদেশের সাথে বিভিন্ন সময়ে আসা সংশোধনীগুলোকে একীভূত করে বিল আকারে উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত উদার। আগামী অধিবেশনে আলোচনার মাধ্যমে এটি আরও সংশোধন ও স্বচ্ছ করার সুযোগ রয়েছে।
নিজের গুম হওয়ার স্মৃতি চারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন "আমি নিজে গুমের শিকার। আমরা চাই না তাড়াহুড়ো করে কোনো ত্রুটিপূর্ণ আইন পাস হোক, যাতে অপরাধীরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায়। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আইনগুলোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে।"
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, স্পিকার বিরোধী দলকে দীর্ঘ সময় কথা বলার সুযোগ দিলেও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তাদের ওয়াকআউট করা যৌক্তিক হয়নি। সংসদের বাইরে গিয়ে অসত্য তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করা হলে তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা সরকারের দায়িত্ব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। এসময় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলো নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা ছিল। রমজান ও ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যদিবস কম থাকলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিজি প্রেসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই বিশাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত না হওয়ায় একটি ‘বিশেষ সংসদীয় কমিটি’র মাধ্যমে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, পর্যালোচনার পর ৯৮টি অধ্যাদেশ অবিকল (As it is) অবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরবর্তী অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংশোধিত বা রহিতকরণের তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিল সংখ্যা নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার বিভ্রান্তির জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, মূল অধ্যাদেশের সাথে বিভিন্ন সময়ে আসা সংশোধনীগুলোকে একীভূত করে বিল আকারে উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত উদার। আগামী অধিবেশনে আলোচনার মাধ্যমে এটি আরও সংশোধন ও স্বচ্ছ করার সুযোগ রয়েছে।
নিজের গুম হওয়ার স্মৃতি চারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন "আমি নিজে গুমের শিকার। আমরা চাই না তাড়াহুড়ো করে কোনো ত্রুটিপূর্ণ আইন পাস হোক, যাতে অপরাধীরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায়। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আইনগুলোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে।"
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, স্পিকার বিরোধী দলকে দীর্ঘ সময় কথা বলার সুযোগ দিলেও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তাদের ওয়াকআউট করা যৌক্তিক হয়নি। সংসদের বাইরে গিয়ে অসত্য তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করা হলে তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা সরকারের দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন