রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল-এর উপ-পরিচালক ডা. আহমদ হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই র্যাব-১ ও র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—প্রধান আসামি শরিফুল আলম ওরফে করিম, আমিনুল ইসলাম ওরফে কালু, সাজ্জাদ ওরফে বদি, সালাউদ্দিন এবং আরিফুজ্জামান।
গত ২০ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ডা. আহমদ হোসেন অফিস শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। মহাখালীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ক্যাম্পাসের পেছনের একটি গলিতে পৌঁছালে ২-৩ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
এই হামলার ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বনানী থানায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গণমাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং দ্রুততম সময়ে জড়িতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল-এর উপ-পরিচালক ডা. আহমদ হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই র্যাব-১ ও র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—প্রধান আসামি শরিফুল আলম ওরফে করিম, আমিনুল ইসলাম ওরফে কালু, সাজ্জাদ ওরফে বদি, সালাউদ্দিন এবং আরিফুজ্জামান।
গত ২০ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ডা. আহমদ হোসেন অফিস শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। মহাখালীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ক্যাম্পাসের পেছনের একটি গলিতে পৌঁছালে ২-৩ জন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
এই হামলার ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বনানী থানায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গণমাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং দ্রুততম সময়ে জড়িতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন