দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের দাম এক বছরের ব্যবধানে অবিশ্বাস্যভাবে ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ সংকটকে দায়ী করে অতি সম্প্রতি কয়েক দফায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১,৯৪০ টাকা, যা গত বছরের এই সময়ে ছিল ১,৪৫০ টাকা।
২০২৬ সালের শুরু থেকেই এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। বছরের প্রথম চার মাসেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৬৩৪ টাকা। জানুয়ারি: ১,৩০৬ টাকা, ফেব্রুয়ারি: ১,৩৫৬ টাকা, এপ্রিল (শুরু): ১,৭২৮ টাকা, এপ্রিল (বর্তমান): ১,৯৪০ টাকা
বিইআরসি (BERC) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, কমিশন মূলত ব্যবসায়ীদের প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়ার দাবি রক্ষা করতেই এই দফায় দফায় দাম বাড়িয়েছে।
কাগজে-কলমে ১৯৪০ টাকা নির্ধারিত হলেও খুচরা বাজারে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ কোম্পানির ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২,০৫০ থেকে ২,২০০ টাকার মধ্যে। ওমেরা, বিএম, সানগ্যাস: ২,০০০ - ২,০৫০ টাকা। বসুন্ধরা: ২,২০০ টাকা (সরবরাহ কম)।
জ্বালানি তেলের (পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল) মূল্যবৃদ্ধির পর এলপিজির এই আকাশচুম্বী দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আবদুল আজিজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "গ্যাস না থাকলেও পাইপলাইনের বিল দিতে হয়, আবার এলপিজিও কিনতে হয়। জনগণের ওপর চাপ শুধু বাড়ে, কখনো কমে না।"
লোয়াব (LOAB)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন রশিদের মতে, যুদ্ধের কারণে আমদানিতে জাহাজ বিমার খরচ তিনগুণ বেড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম কমতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের দাম এক বছরের ব্যবধানে অবিশ্বাস্যভাবে ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ সংকটকে দায়ী করে অতি সম্প্রতি কয়েক দফায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১,৯৪০ টাকা, যা গত বছরের এই সময়ে ছিল ১,৪৫০ টাকা।
২০২৬ সালের শুরু থেকেই এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। বছরের প্রথম চার মাসেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৬৩৪ টাকা। জানুয়ারি: ১,৩০৬ টাকা, ফেব্রুয়ারি: ১,৩৫৬ টাকা, এপ্রিল (শুরু): ১,৭২৮ টাকা, এপ্রিল (বর্তমান): ১,৯৪০ টাকা
বিইআরসি (BERC) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, কমিশন মূলত ব্যবসায়ীদের প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়ার দাবি রক্ষা করতেই এই দফায় দফায় দাম বাড়িয়েছে।
কাগজে-কলমে ১৯৪০ টাকা নির্ধারিত হলেও খুচরা বাজারে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ কোম্পানির ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২,০৫০ থেকে ২,২০০ টাকার মধ্যে। ওমেরা, বিএম, সানগ্যাস: ২,০০০ - ২,০৫০ টাকা। বসুন্ধরা: ২,২০০ টাকা (সরবরাহ কম)।
জ্বালানি তেলের (পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল) মূল্যবৃদ্ধির পর এলপিজির এই আকাশচুম্বী দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আবদুল আজিজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "গ্যাস না থাকলেও পাইপলাইনের বিল দিতে হয়, আবার এলপিজিও কিনতে হয়। জনগণের ওপর চাপ শুধু বাড়ে, কখনো কমে না।"
লোয়াব (LOAB)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন রশিদের মতে, যুদ্ধের কারণে আমদানিতে জাহাজ বিমার খরচ তিনগুণ বেড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম কমতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন