ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় অর্ধেক কমে গেছে, যা তীব্র গরমের মধ্যে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
ত্রুটির কারণে বর্তমানে একটি ইউনিটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ। গত কয়েকদিন কেন্দ্রটি থেকে গড়ে ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছিল, যা বর্তমানে কমে ৭৫০-৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ইউনিটটি পুনরায় সচল করতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, ভারতের এই কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশ মোট ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। ২০২৩ সালের মার্চ ও জুন মাসে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট পর্যায়ক্রমে চালু হয়েছিল। বর্তমানে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিতরণে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় অর্ধেক কমে গেছে, যা তীব্র গরমের মধ্যে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
ত্রুটির কারণে বর্তমানে একটি ইউনিটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ। গত কয়েকদিন কেন্দ্রটি থেকে গড়ে ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছিল, যা বর্তমানে কমে ৭৫০-৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ইউনিটটি পুনরায় সচল করতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, ভারতের এই কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশ মোট ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। ২০২৩ সালের মার্চ ও জুন মাসে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট পর্যায়ক্রমে চালু হয়েছিল। বর্তমানে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিতরণে।

আপনার মতামত লিখুন