রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা ওয়াসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে প্রশাসনিক ও ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অধীনে থাকা পূর্বাচলের অংশবিশেষকে ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত প্রস্তাবে জানানো হয়, পূর্বাচল তিনটি জেলার (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর) অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে পুলিশের নিরাপত্তা কার্যক্রম ও স্থানীয় সরকারের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছিল। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের বাইরে থাকায় বাসিন্দারা ওয়াসার সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছিলেন।
ডিএনসিসির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখন থেকে পূর্বাচলবাসী নিয়মিত নাগরিক সুবিধা যেমন— জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ, সড়কবাতি এবং মশক নিয়ন্ত্রণ সেবা পাবেন। জননিরাপত্তা জোরদারে পুরো এলাকাটি ডিএমপির আওতাভুক্ত করা হয়েছে এবং নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা ওয়াসাকে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমন্বিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে পূর্বাচল একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক বসবাসের উপযোগী শহর হিসেবে দ্রুত গড়ে উঠবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা ওয়াসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে প্রশাসনিক ও ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অধীনে থাকা পূর্বাচলের অংশবিশেষকে ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত প্রস্তাবে জানানো হয়, পূর্বাচল তিনটি জেলার (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর) অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে পুলিশের নিরাপত্তা কার্যক্রম ও স্থানীয় সরকারের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছিল। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের বাইরে থাকায় বাসিন্দারা ওয়াসার সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছিলেন।
ডিএনসিসির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখন থেকে পূর্বাচলবাসী নিয়মিত নাগরিক সুবিধা যেমন— জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ, সড়কবাতি এবং মশক নিয়ন্ত্রণ সেবা পাবেন। জননিরাপত্তা জোরদারে পুরো এলাকাটি ডিএমপির আওতাভুক্ত করা হয়েছে এবং নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা ওয়াসাকে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমন্বিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে পূর্বাচল একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক বসবাসের উপযোগী শহর হিসেবে দ্রুত গড়ে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন