চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পরিকল্পিত ফাঁদে ফেলে ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক নারীসহ চারজনকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী সজল কান্তি দাশ নামে এক ওঝাকে টার্গেট করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ফাঁদ পাতে। প্রথমে এক নারী কৌশলে তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে এবং ব্যাগে থাকা গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে। এর কিছুক্ষণ পরই সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নুরুল আবছারসহ আরও দুই ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে ওই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সজল কান্তি দাশ জানান "তারা ভিডিও প্রকাশ করে সম্মানহানির হুমকি দিচ্ছিল। আমি পরিস্থিতির চাপে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তারা ২ লাখ টাকার নিচে কোনো সমঝোতায় রাজি হয়নি।"
পরবর্তীতে বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনতা অভিযুক্তদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— নুরুল আবছার, ইয়াছমিন আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম ও জয়নাল উদ্দিন। তাদের বাড়ি বাঁশখালী, পটিয়া ও আনোয়ারা উপজেলায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, অভিযুক্তদের বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পরিকল্পিত ফাঁদে ফেলে ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক নারীসহ চারজনকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী সজল কান্তি দাশ নামে এক ওঝাকে টার্গেট করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ফাঁদ পাতে। প্রথমে এক নারী কৌশলে তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে এবং ব্যাগে থাকা গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে। এর কিছুক্ষণ পরই সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নুরুল আবছারসহ আরও দুই ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে ওই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সজল কান্তি দাশ জানান "তারা ভিডিও প্রকাশ করে সম্মানহানির হুমকি দিচ্ছিল। আমি পরিস্থিতির চাপে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তারা ২ লাখ টাকার নিচে কোনো সমঝোতায় রাজি হয়নি।"
পরবর্তীতে বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনতা অভিযুক্তদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— নুরুল আবছার, ইয়াছমিন আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম ও জয়নাল উদ্দিন। তাদের বাড়ি বাঁশখালী, পটিয়া ও আনোয়ারা উপজেলায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, অভিযুক্তদের বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন