ঢাকা সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের আড়ালে চলছে ভয়াবহ ‘আইডি কার্ড’ বাণিজ্য। এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেটের হাতে মহান এই পেশা এখন কলঙ্কিত হতে চলেছে।
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পেশাদারিত্ব না থাকলেও মাত্র কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে অলিগলিতে মিলছে ‘সাংবাদিক’ কিংবা ‘মানবাধিকার কর্মী’র পরিচয়পত্র। এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার এক ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এক সময় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই বা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরাও এখন গলায় কার্ড ঝুলিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনকি পেশাদার চালক বা স্থানীয় ছিঁচকে অপরাধীরাও রাতারাতি বনে যাচ্ছে ‘সাংবাদিক’। তাদের মূল লক্ষ্য প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় গভীর রাতে থানার সামনে, মাদকের স্পটে কিংবা জুয়ার আসরে। যখন কোনো পেশাদার সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে যান, তখন এই ভুয়া কার্ডধারীরাই তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং হেনস্তা করে।
শুধুমাত্র অনলাইন পোর্টাল নয়, অনেক ক্ষেত্রে ‘মানবাধিকার’ সংগঠনের আড়ালে চলছে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি। সামান্য কোনো ঘটনা পেলেই এরা দলবেঁধে হাজির হয় এবং আইন-আদালতের ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট বা ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরা এই অপেশাদারদের কারণে আজ চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন। অন্যদিকে, অপরাধীরা মোটরসাইকেল বা প্রাইভেটকারে ‘প্রেস’ (PRESS) স্টিকার ব্যবহার করে অবাধে মাদকের চালান পারাপার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অবিলম্বে এই ‘কার্ড বাণিজ্য’ বন্ধে এবং নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যমের বাইরে ভুয়া কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি। সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষায় তথ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্য অধিদপ্তরকে (PID) এসব নামসর্বস্ব সংগঠনের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় পেশাদার সাংবাদিক সমাজ।
পেশাদার সাংবাদিকদের প্রধান দাবিগুলো হলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত তালিকা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া।ভুয়া স্টিকার ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা। ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের আড়ালে চলছে ভয়াবহ ‘আইডি কার্ড’ বাণিজ্য। এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেটের হাতে মহান এই পেশা এখন কলঙ্কিত হতে চলেছে।
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পেশাদারিত্ব না থাকলেও মাত্র কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে অলিগলিতে মিলছে ‘সাংবাদিক’ কিংবা ‘মানবাধিকার কর্মী’র পরিচয়পত্র। এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার এক ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এক সময় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই বা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরাও এখন গলায় কার্ড ঝুলিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনকি পেশাদার চালক বা স্থানীয় ছিঁচকে অপরাধীরাও রাতারাতি বনে যাচ্ছে ‘সাংবাদিক’। তাদের মূল লক্ষ্য প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় গভীর রাতে থানার সামনে, মাদকের স্পটে কিংবা জুয়ার আসরে। যখন কোনো পেশাদার সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে যান, তখন এই ভুয়া কার্ডধারীরাই তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং হেনস্তা করে।
শুধুমাত্র অনলাইন পোর্টাল নয়, অনেক ক্ষেত্রে ‘মানবাধিকার’ সংগঠনের আড়ালে চলছে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি। সামান্য কোনো ঘটনা পেলেই এরা দলবেঁধে হাজির হয় এবং আইন-আদালতের ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট বা ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরা এই অপেশাদারদের কারণে আজ চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন। অন্যদিকে, অপরাধীরা মোটরসাইকেল বা প্রাইভেটকারে ‘প্রেস’ (PRESS) স্টিকার ব্যবহার করে অবাধে মাদকের চালান পারাপার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অবিলম্বে এই ‘কার্ড বাণিজ্য’ বন্ধে এবং নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যমের বাইরে ভুয়া কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি। সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষায় তথ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্য অধিদপ্তরকে (PID) এসব নামসর্বস্ব সংগঠনের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় পেশাদার সাংবাদিক সমাজ।
পেশাদার সাংবাদিকদের প্রধান দাবিগুলো হলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত তালিকা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া।ভুয়া স্টিকার ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা। ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

আপনার মতামত লিখুন