আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়ার সঠিক দাম নিশ্চিত করতে এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে একটি শক্তিশালী আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখভাল করবে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিটির প্রধান হিসেবে থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব।
কমিটিতে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ধর্ম; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; শিল্প; তথ্য ও সম্প্রচার; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র, শিল্প এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব। চামড়া ও চামড়াজাত খাতের মনোনীত ৩ জন ব্যবসায়ী নেতা।
১. মূল্য নির্ধারণ ও প্রাপ্তি: পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা এবং চামড়া বিক্রির অর্থ যাতে এতিমখানা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে পায় তা নিশ্চিত করা। ২. সংরক্ষণ: চামড়া সংগ্রহের পর তা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় লবণের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা। ৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সাভারের চামড়া শিল্পনগরীসহ দেশব্যাপী কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। ৪. পরিবহন ও হাট ব্যবস্থাপনা: পশুর হাট ব্যবস্থাপনা তদারকি এবং পরিবহনের সময় পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধে ব্যবস্থা নেওয়া।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সার্বিক সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে এবং প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ঈদুল আজহার আগেই চামড়া খাতের এই বিশৃঙ্খলা রোধে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম জোরদার করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়ার সঠিক দাম নিশ্চিত করতে এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে একটি শক্তিশালী আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখভাল করবে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিটির প্রধান হিসেবে থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব।
কমিটিতে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ধর্ম; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; শিল্প; তথ্য ও সম্প্রচার; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র, শিল্প এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব। চামড়া ও চামড়াজাত খাতের মনোনীত ৩ জন ব্যবসায়ী নেতা।
১. মূল্য নির্ধারণ ও প্রাপ্তি: পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা এবং চামড়া বিক্রির অর্থ যাতে এতিমখানা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে পায় তা নিশ্চিত করা। ২. সংরক্ষণ: চামড়া সংগ্রহের পর তা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় লবণের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা। ৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সাভারের চামড়া শিল্পনগরীসহ দেশব্যাপী কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। ৪. পরিবহন ও হাট ব্যবস্থাপনা: পশুর হাট ব্যবস্থাপনা তদারকি এবং পরিবহনের সময় পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধে ব্যবস্থা নেওয়া।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সার্বিক সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে এবং প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ঈদুল আজহার আগেই চামড়া খাতের এই বিশৃঙ্খলা রোধে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম জোরদার করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন