চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) বহনকারী চীনা পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’।
১৮২.৫ মিটার দীর্ঘ এই বিশাল জাহাজটির ড্রাফট (পানির নিচের গভীরতা) বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি বন্দরের প্রধান জেটিতে ভিড়তে পারেনি। বর্তমানে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের (ছোট জাহাজ) মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিছু পরিমাণ তেল খালাসের পর জাহাজটির ওজন ও গভীরতা কমে এলে সেটিকে বন্দরের মূল জেটিতে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে আসে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’।দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে আসে ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’।তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে বহির্নোঙরে পৌঁছায় পাকিস্তানি ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) বহনকারী চীনা পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’।
১৮২.৫ মিটার দীর্ঘ এই বিশাল জাহাজটির ড্রাফট (পানির নিচের গভীরতা) বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি বন্দরের প্রধান জেটিতে ভিড়তে পারেনি। বর্তমানে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের (ছোট জাহাজ) মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিছু পরিমাণ তেল খালাসের পর জাহাজটির ওজন ও গভীরতা কমে এলে সেটিকে বন্দরের মূল জেটিতে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে আসে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’।দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে আসে ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’।তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে বহির্নোঙরে পৌঁছায় পাকিস্তানি ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’।

আপনার মতামত লিখুন