বর্তমান সরকার সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জবাবদিহির ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সুসান ভাইজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে পুলিশ ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক উন্নয়নসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব বাড়াতে ইউনেস্কোর চলমান প্রশিক্ষণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী জুনের মধ্যেই ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু করার বিষয়ে মন্ত্রী সম্মতি দেন।
পুলিশ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
মন্ত্রী প্রতিটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশের মিডিয়া উইংয়ে কর্মরত অফিসারদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরামর্শ দেন।
ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সুসান ভাইজ জানান, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে তারা ৭০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন। বর্তমানে সাংবাদিকদের জন্যও অনুরূপ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন "বর্তমান সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর। আমরা চাই পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ কাজের পরিবেশ তৈরি হোক।"
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমান সরকার সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জবাবদিহির ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সুসান ভাইজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে পুলিশ ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক উন্নয়নসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব বাড়াতে ইউনেস্কোর চলমান প্রশিক্ষণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী জুনের মধ্যেই ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু করার বিষয়ে মন্ত্রী সম্মতি দেন।
পুলিশ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
মন্ত্রী প্রতিটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশের মিডিয়া উইংয়ে কর্মরত অফিসারদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরামর্শ দেন।
ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সুসান ভাইজ জানান, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে তারা ৭০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন। বর্তমানে সাংবাদিকদের জন্যও অনুরূপ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন "বর্তমান সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর। আমরা চাই পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ কাজের পরিবেশ তৈরি হোক।"
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন