দেশের শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলাজট ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ২৭ হাজার ৪০৭টি মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে।
প্রতি বছরই এই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যা শ্রমিকের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিকে দীর্ঘসূত্রতার মুখে ঠেলে দিচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
| সময়কাল | বিচারাধীন মামলার সংখ্যা |
| মার্চ ২০২৪ | ২১,০৬১টি |
| মার্চ ২০২৫ | ২২,৭৩৭টি |
| মার্চ ২০২৬ | ২৭,৪০৭টি |
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মামলাজট বাড়ার পেছনে বেশ কিছু কাঠামোগত সমস্যা দায়ী আদালতের স্বল্পতা: বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের বিপরীতে সারাদেশে শ্রম আদালত মাত্র ১৩টি এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল মাত্র ১টি।
আইনি সময়সীমার লঙ্ঘন: শ্রম আইন অনুযায়ী ৬০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়ার বিধান থাকলেও বাস্তবে তা মানা সম্ভব হচ্ছে না।
বিচারক সংকট: জনসংখ্যার অনুপাতে বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় নিষ্পত্তির গতি মন্থর। পাওনা ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
"লোক সংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা ও আদালতের সংখ্যা কম হলে যা হয়, তাই হচ্ছে। পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা না নিলে মামলার জট বাড়তেই থাকবে। — মনজিল মোরশেদ, সিনিয়র আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে মামলাজট কমাতে ময়মনসিংহে নতুন শ্রম আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
দেশের শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলাজট ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ২৭ হাজার ৪০৭টি মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে।
প্রতি বছরই এই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যা শ্রমিকের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিকে দীর্ঘসূত্রতার মুখে ঠেলে দিচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
| সময়কাল | বিচারাধীন মামলার সংখ্যা |
| মার্চ ২০২৪ | ২১,০৬১টি |
| মার্চ ২০২৫ | ২২,৭৩৭টি |
| মার্চ ২০২৬ | ২৭,৪০৭টি |
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মামলাজট বাড়ার পেছনে বেশ কিছু কাঠামোগত সমস্যা দায়ী আদালতের স্বল্পতা: বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের বিপরীতে সারাদেশে শ্রম আদালত মাত্র ১৩টি এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল মাত্র ১টি।
আইনি সময়সীমার লঙ্ঘন: শ্রম আইন অনুযায়ী ৬০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়ার বিধান থাকলেও বাস্তবে তা মানা সম্ভব হচ্ছে না।
বিচারক সংকট: জনসংখ্যার অনুপাতে বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় নিষ্পত্তির গতি মন্থর। পাওনা ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
"লোক সংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা ও আদালতের সংখ্যা কম হলে যা হয়, তাই হচ্ছে। পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা না নিলে মামলার জট বাড়তেই থাকবে। — মনজিল মোরশেদ, সিনিয়র আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে মামলাজট কমাতে ময়মনসিংহে নতুন শ্রম আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করবে।

আপনার মতামত লিখুন