নজর বিডি

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তদবির করলেই ‘অপরাধী’: ডিএমপি

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তদবির করলেই ‘অপরাধী’: ডিএমপি

ঢাকা মহানগরীতে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।


রোববার (৩ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, অপরাধী বা চাঁদাবাজদের ছাড়াতে কেউ তদবির করলে তাকেও অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ এবং ৯৪ জন সহযোগীসহ মোট ১৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে ডিএমপি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল’ গ্রহণ করেছে, যার লক্ষ্য ঢাকা মহানগরীকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তোলা।

তদবিরের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, "অপরাধীকে ছাড়ানোর জন্য কেউ তদবির করলে তা গ্রহণ করা হবে না। বরং ধরে নেওয়া হবে তদবিরকারীও ওই অপরাধী চক্রের সদস্য। এ ক্ষেত্রে ডিএমপির অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।" তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, চাঁদাবাজদের কোনো রাজনৈতিক বা অন্য পরিচয় পুলিশের কাছে মুখ্য নয়, তাদের একমাত্র পরিচয় তারা অপরাধী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ব্লক রেইড ও ক্যাম্প স্থাপন: অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত ঝটিকা অভিযান ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কারওয়ান বাজার ও বসিলায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।মাদকবিরোধী অভিযান: গত এক সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে। শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মাদকের পেছনে থাকা ‘গডফাদার’দের চিহ্নিত করে মানি লন্ডারিং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মোহাম্মদপুর এলাকা বসিলায় ১০০ সদস্যের বিশেষ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরে নতুন থানা ও রায়েরবাজারে থানা স্থাপনের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, অপরাধীরা দেশের যে প্রান্তেই পালিয়ে যাক না কেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য তিনি নগরবাসীকে অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তদবির করলেই ‘অপরাধী’: ডিএমপি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

ঢাকা মহানগরীতে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।


রোববার (৩ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, অপরাধী বা চাঁদাবাজদের ছাড়াতে কেউ তদবির করলে তাকেও অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ এবং ৯৪ জন সহযোগীসহ মোট ১৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে ডিএমপি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল’ গ্রহণ করেছে, যার লক্ষ্য ঢাকা মহানগরীকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তোলা।

তদবিরের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, "অপরাধীকে ছাড়ানোর জন্য কেউ তদবির করলে তা গ্রহণ করা হবে না। বরং ধরে নেওয়া হবে তদবিরকারীও ওই অপরাধী চক্রের সদস্য। এ ক্ষেত্রে ডিএমপির অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।" তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, চাঁদাবাজদের কোনো রাজনৈতিক বা অন্য পরিচয় পুলিশের কাছে মুখ্য নয়, তাদের একমাত্র পরিচয় তারা অপরাধী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ব্লক রেইড ও ক্যাম্প স্থাপন: অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত ঝটিকা অভিযান ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কারওয়ান বাজার ও বসিলায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।মাদকবিরোধী অভিযান: গত এক সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে। শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মাদকের পেছনে থাকা ‘গডফাদার’দের চিহ্নিত করে মানি লন্ডারিং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মোহাম্মদপুর এলাকা বসিলায় ১০০ সদস্যের বিশেষ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরে নতুন থানা ও রায়েরবাজারে থানা স্থাপনের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, অপরাধীরা দেশের যে প্রান্তেই পালিয়ে যাক না কেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য তিনি নগরবাসীকে অনুরোধ জানান।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত