দেশের পর্যটন শিল্পকে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা থেকে মুক্ত করে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি)-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ আহ্বান জানান।
“বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ১৭ বছরে এ খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। আমরা সেই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, পর্যটন স্পটগুলোর কৌশলগত ব্র্যান্ডিং এবং প্রচারণায় আধুনিক ও উদ্ভাবনী কৌশলের কোনো বিকল্প নেই।
“দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা পর্যটন হোটেল ও মোটেলগুলোকে লাভজনক করার জন্য আমাদের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, সেবার মান বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের আস্থা অর্জনই হবে আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ।”
সভায় পর্যটন খাতের বর্তমান চিত্র ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
দেশের পর্যটন শিল্পকে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা থেকে মুক্ত করে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি)-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ আহ্বান জানান।
“বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ১৭ বছরে এ খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। আমরা সেই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, পর্যটন স্পটগুলোর কৌশলগত ব্র্যান্ডিং এবং প্রচারণায় আধুনিক ও উদ্ভাবনী কৌশলের কোনো বিকল্প নেই।
“দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা পর্যটন হোটেল ও মোটেলগুলোকে লাভজনক করার জন্য আমাদের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, সেবার মান বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের আস্থা অর্জনই হবে আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ।”
সভায় পর্যটন খাতের বর্তমান চিত্র ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন