দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল এবং পদ্ধতিগত করতে ‘ইলেকশন শিডিউল ম্যানেজমেন্ট মডিউল (ইএমএস)’ নামে একটি বিশেষ সফটওয়্যার চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন থেকে সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সব পর্যায়ের নির্বাচনের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।
সফটওয়্যারের মূল কাজ ও তথ্য ভাণ্ডার, ইএমএস সফটওয়্যারে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে, সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ ও গেজেট প্রকাশের সময়।
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ এবং প্রথম সভার তারিখ। ওয়ার্ড বিন্যাস ও ভোটার তালিকার হালনাগাদ তথ্য। নির্বাচনী মামলা সংক্রান্ত আইনি বিষয়াদির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।
মাঠ কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা, ইসি সচিবালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের আগামী ১৫ মে’র মধ্যে তাদের নিজ নিজ এলাকার সব প্রয়োজনীয় তথ্য এই সফটওয়্যারে এন্ট্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির ফলে আইনি বাধ্যবাধকতা তদারকি করা সহজ হবে। এর ফলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সঠিক সময়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে, যা নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল এবং পদ্ধতিগত করতে ‘ইলেকশন শিডিউল ম্যানেজমেন্ট মডিউল (ইএমএস)’ নামে একটি বিশেষ সফটওয়্যার চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন থেকে সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সব পর্যায়ের নির্বাচনের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।
সফটওয়্যারের মূল কাজ ও তথ্য ভাণ্ডার, ইএমএস সফটওয়্যারে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে, সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ ও গেজেট প্রকাশের সময়।
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ এবং প্রথম সভার তারিখ। ওয়ার্ড বিন্যাস ও ভোটার তালিকার হালনাগাদ তথ্য। নির্বাচনী মামলা সংক্রান্ত আইনি বিষয়াদির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।
মাঠ কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা, ইসি সচিবালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের আগামী ১৫ মে’র মধ্যে তাদের নিজ নিজ এলাকার সব প্রয়োজনীয় তথ্য এই সফটওয়্যারে এন্ট্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির ফলে আইনি বাধ্যবাধকতা তদারকি করা সহজ হবে। এর ফলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সঠিক সময়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে, যা নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনবে।

আপনার মতামত লিখুন