ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, সাম্প্রদায়িক হামলা এবং ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের বাদ দেওয়ার অভিযোগে প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
সোমবার (১১ মে) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা এসব ঘটনাকে মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, "বিভিন্ন গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের লক্ষ্য করে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।
বিশেষ করে উগ্রপন্থি বিজেপি সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উদ্বেগজনক। পশ্চিমবঙ্গের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মুসলিমবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য হামলাকারীদের পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ভারতের অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হবে।"
তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভারতের মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতনের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা জানাতে হবে এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তুলতে হবে।
সমাবেশ থেকে ভারতের মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমী। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও ওআইসি-র প্রতি ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মীর মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, "ভারতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাদের জোর করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।"
সমাবেশটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদার ও মাওলানা কামরুল ইসলাম। এতে মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা আব্দুল্লাহসহ হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, সাম্প্রদায়িক হামলা এবং ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের বাদ দেওয়ার অভিযোগে প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
সোমবার (১১ মে) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা এসব ঘটনাকে মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, "বিভিন্ন গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের লক্ষ্য করে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।
বিশেষ করে উগ্রপন্থি বিজেপি সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উদ্বেগজনক। পশ্চিমবঙ্গের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মুসলিমবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য হামলাকারীদের পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ভারতের অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হবে।"
তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভারতের মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতনের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা জানাতে হবে এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তুলতে হবে।
সমাবেশ থেকে ভারতের মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমী। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও ওআইসি-র প্রতি ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মীর মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, "ভারতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাদের জোর করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।"
সমাবেশটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদার ও মাওলানা কামরুল ইসলাম। এতে মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা আব্দুল্লাহসহ হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন