রাজধানীর উত্তরা বিভাগের তুরাগ থানাধীন বামনারটেক এলাকার ৩ নম্বর রোড ও আক্কাস আলী মসজিদ সংলগ্ন সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাবরিনা এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই ধীরগতিতে চলছে রাস্তার কাজ।
ভুক্তভোগীদের দাবি, নিয়মবহির্ভূতভাবে রাস্তা সংস্কারের নামে ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজু স্থানীয় চাঁদাবাজ সোহেল রানার সঙ্গে যোগসাজশ করে কোনো ধরনের ভূমি অধিগ্রহণের আইনি নোটিশ ছাড়াই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর করছেন। এতে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের ব্যয়, রাস্তার দৈর্ঘ্য, কাজের মেয়াদ কিংবা সংশ্লিষ্ট তথ্য সম্বলিত কোনো সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়নি। ফলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন-এর ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সম্প্রতি টেন্ডারকৃত নির্মাণাধীন রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তা মানছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী এলাকাবাসী বলেন, “সরকার রাস্তা করবে, আমরা ট্যাক্স দেব—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে, অনিয়ম ও হয়রানির মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা যেন প্রহসনের শিকার হচ্ছি।”
এ বিষয়ে ঠিকাদার রাজু ও ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বৃষ্টি ও আবহাওয়াজনিত কারণ দেখিয়ে কাজের ধীরগতির ব্যাখ্যা দেন। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে একই অজুহাতে কাজ ফেলে রাখার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সঠিক নিয়ম মেনে রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রাজধানীর উত্তরা বিভাগের তুরাগ থানাধীন বামনারটেক এলাকার ৩ নম্বর রোড ও আক্কাস আলী মসজিদ সংলগ্ন সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাবরিনা এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই ধীরগতিতে চলছে রাস্তার কাজ।
ভুক্তভোগীদের দাবি, নিয়মবহির্ভূতভাবে রাস্তা সংস্কারের নামে ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজু স্থানীয় চাঁদাবাজ সোহেল রানার সঙ্গে যোগসাজশ করে কোনো ধরনের ভূমি অধিগ্রহণের আইনি নোটিশ ছাড়াই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর করছেন। এতে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের ব্যয়, রাস্তার দৈর্ঘ্য, কাজের মেয়াদ কিংবা সংশ্লিষ্ট তথ্য সম্বলিত কোনো সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়নি। ফলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন-এর ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সম্প্রতি টেন্ডারকৃত নির্মাণাধীন রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তা মানছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী এলাকাবাসী বলেন, “সরকার রাস্তা করবে, আমরা ট্যাক্স দেব—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে, অনিয়ম ও হয়রানির মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা যেন প্রহসনের শিকার হচ্ছি।”
এ বিষয়ে ঠিকাদার রাজু ও ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বৃষ্টি ও আবহাওয়াজনিত কারণ দেখিয়ে কাজের ধীরগতির ব্যাখ্যা দেন। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে একই অজুহাতে কাজ ফেলে রাখার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সঠিক নিয়ম মেনে রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন