জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে চূড়ান্ত ভোটের আগে এক আনুষ্ঠানিক ‘প্রেজেন্টেশন’ বা পরীক্ষায় বসছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
আগামী জুনে অনুষ্ঠেয় এই পদের নির্বাচনে বাংলাদেশের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস। ব্যালটের লড়াইয়ের আগে বুধবার (১৩ মে) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দুই দেশের প্রার্থী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সামনে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বুধবার সকালে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস. কাকোরিস এবং বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিজ নিজ প্রেজেন্টেশন দেবেন। সেখানে তারা সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা কী হবে, তা বিস্তারিত উপস্থাপন করবেন। প্রেজেন্টেশন শেষে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের বিভিন্ন তীক্ষ্ণ প্রশ্নের জবাবও দিতে হবে প্রার্থীদের।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই অধিবেশনে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়ন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট (ইসরায়েল-ফিলিস্তিন), ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো আলোচনায় আসবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, "বাংলাদেশি প্রার্থী নির্বাচিত হলে জাতিসংঘে আমাদের অবস্থান আরও সুসংহত হবে। এটি হবে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল কূটনৈতিক অর্জন। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী।"
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পর আবারও এই পদের জন্য লড়াই করছে বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের মনোনীত প্রার্থীর পরিবর্তে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনীত করে বর্তমান সরকার। ফিলিস্তিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় এখন মূল লড়াই হচ্ছে বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রেজেন্টেশনের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কূটনীতিকরা উপস্থিত থাকবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে চূড়ান্ত ভোটের আগে এক আনুষ্ঠানিক ‘প্রেজেন্টেশন’ বা পরীক্ষায় বসছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
আগামী জুনে অনুষ্ঠেয় এই পদের নির্বাচনে বাংলাদেশের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস। ব্যালটের লড়াইয়ের আগে বুধবার (১৩ মে) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দুই দেশের প্রার্থী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সামনে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বুধবার সকালে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস. কাকোরিস এবং বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিজ নিজ প্রেজেন্টেশন দেবেন। সেখানে তারা সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা কী হবে, তা বিস্তারিত উপস্থাপন করবেন। প্রেজেন্টেশন শেষে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের বিভিন্ন তীক্ষ্ণ প্রশ্নের জবাবও দিতে হবে প্রার্থীদের।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই অধিবেশনে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়ন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট (ইসরায়েল-ফিলিস্তিন), ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো আলোচনায় আসবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, "বাংলাদেশি প্রার্থী নির্বাচিত হলে জাতিসংঘে আমাদের অবস্থান আরও সুসংহত হবে। এটি হবে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল কূটনৈতিক অর্জন। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী।"
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পর আবারও এই পদের জন্য লড়াই করছে বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের মনোনীত প্রার্থীর পরিবর্তে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনীত করে বর্তমান সরকার। ফিলিস্তিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় এখন মূল লড়াই হচ্ছে বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রেজেন্টেশনের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কূটনীতিকরা উপস্থিত থাকবেন।

আপনার মতামত লিখুন