চট্টগ্রামের রাউজানে রুমা আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচখাইন দরগাহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের পরিবার এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে।
নিহত রুমা আক্তার ওই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মুহাম্মদ সোলেমানের স্ত্রী। এই দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রুমা ঘরের বিমের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়ার আগেই তারা লাশটি ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে খাটে শুইয়ে রাখেন।
খবর পেয়ে রুমার বাবার বাড়ির সদস্যরা এসে লাশটি খাটের ওপর শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার পরপরই স্বামীর পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর না দেওয়ায় এবং লাশ নামিয়ে ফেলায় নিহতের পরিবার ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন,
"বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ বিভিন্ন দাবিতে আমার বোনকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত নির্যাতন করতেন। এটি আত্মহত্যা নয়, আমার বোনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই বিষয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করব।"
খবর পেয়ে রাউজান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
রাউজান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিজাম উদ্দিন দেওয়ান বলেন, "আমরা ঘরের খাট থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।" ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে রুমা আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচখাইন দরগাহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের পরিবার এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে।
নিহত রুমা আক্তার ওই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মুহাম্মদ সোলেমানের স্ত্রী। এই দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রুমা ঘরের বিমের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়ার আগেই তারা লাশটি ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে খাটে শুইয়ে রাখেন।
খবর পেয়ে রুমার বাবার বাড়ির সদস্যরা এসে লাশটি খাটের ওপর শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার পরপরই স্বামীর পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর না দেওয়ায় এবং লাশ নামিয়ে ফেলায় নিহতের পরিবার ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন,
"বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ বিভিন্ন দাবিতে আমার বোনকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত নির্যাতন করতেন। এটি আত্মহত্যা নয়, আমার বোনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই বিষয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করব।"
খবর পেয়ে রাউজান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
রাউজান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নিজাম উদ্দিন দেওয়ান বলেন, "আমরা ঘরের খাট থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।" ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন