রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি বিকাশের দোকানে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযান চলাকালে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ ও সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) তরুণ আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত স্থানীয় একটি বিকাশের দোকানে আকস্মিক হামলা চালায়। হামলার এই দৃশ্যটি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই অপরাধীদের ধরতে অভিযানে নামে আদাবর থানা পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, তুরাগ হাউজিং এলাকার সাঈদ ব্যাপারীর পেট্রোল পাম্পের পেছনের সড়কে সন্দেহভাজনদের আটক করতে গেলে পুলিশের ওপর চড়াও হয় তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে অপরাধীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আঘাত পান ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ।
"যারা এই হামলা ও পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এলাকায় ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।" — ইব্রাহিম হাওলাদার, ৩০ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, আদাবর ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই, মাদক এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি বিকাশের দোকানে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযান চলাকালে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ ও সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) তরুণ আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত স্থানীয় একটি বিকাশের দোকানে আকস্মিক হামলা চালায়। হামলার এই দৃশ্যটি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই অপরাধীদের ধরতে অভিযানে নামে আদাবর থানা পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, তুরাগ হাউজিং এলাকার সাঈদ ব্যাপারীর পেট্রোল পাম্পের পেছনের সড়কে সন্দেহভাজনদের আটক করতে গেলে পুলিশের ওপর চড়াও হয় তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে অপরাধীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আঘাত পান ওসি জাহিদ ও এসআই তরুণ।
"যারা এই হামলা ও পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এলাকায় ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।" — ইব্রাহিম হাওলাদার, ৩০ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, আদাবর ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই, মাদক এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন