২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির বিখ্যাত 'অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে' অনুষ্ঠিত হলেও, উন্মাদনার কমতি ছিল না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি)। পুরো টিএসসি এলাকা যেন পরিণত হয়েছিল ঢাকার বুকেই এক টুকরো অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে; আর যার পুরো নিয়ন্ত্রণই ছিল আকাশী-সাদা জার্সিধারী আর্জেন্টাইন ভক্তদের দখলে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে খেলা শুরুর বেশ আগেই টিএসসির চিরচেনা চত্বর, সবুজ চত্বর ও এর আশপাশের সর্বত্র অবস্থান নেন হাজারো আর্জেন্টাইন সমর্থক। বড় পর্দায় প্রিয় দলের খেলা দেখতে সকালের ঘুম হারাম করে হাজির হন ফুটবলপ্রেমীরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটের মাথায় অধিনায়ক লিওনেল মেসি গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ভক্তদের উন্মাদনা যেন বাঁধ ভেঙে যায়। এরপর থেকে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বল গেলেই মুহুর্মুহু করতালিতে মেতে উঠছিলেন সমর্থকরা।
ভিন্ন দলের সমর্থক হয়েও এই ফুটবল উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে এসেছেন হৃদয় নামের এক তরুণ। তিনি বলেন:
"সবাই যে একই দলের সাপোর্ট করবে—এমন কোনো কথা নেই। ভিন্ন দলের সমর্থক হয়েও এত মানুষের ভিড়ে এই অসাধারণ উন্মাদনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে আমার খুব ভালো লাগছে।"
পরিবারসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে খেলা দেখতে আসা লাবণ্য নামে এক কট্টর আর্জেন্টাইন সমর্থক নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন:
"আজকে টিএসসি আসলেই এক মিনি স্টেডিয়ামে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমাদের মতো অনেক সাধারণ মানুষও পরিবারসহ খেলা দেখতে এসেছেন। আমরা মনেপ্রাণে চাই, এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটাও যেন লিওনেল মেসির হাতেই ওঠে।"
মেসির বিশ্বরেকর্ড গড়া হ্যাটট্রিকের এই সকালে টিএসসির এই উন্মাদনা আবারও প্রমাণ করল, ফুটবল ও আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা কতটা আবেগঘন এবং অনন্য।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির বিখ্যাত 'অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে' অনুষ্ঠিত হলেও, উন্মাদনার কমতি ছিল না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি)। পুরো টিএসসি এলাকা যেন পরিণত হয়েছিল ঢাকার বুকেই এক টুকরো অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে; আর যার পুরো নিয়ন্ত্রণই ছিল আকাশী-সাদা জার্সিধারী আর্জেন্টাইন ভক্তদের দখলে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে খেলা শুরুর বেশ আগেই টিএসসির চিরচেনা চত্বর, সবুজ চত্বর ও এর আশপাশের সর্বত্র অবস্থান নেন হাজারো আর্জেন্টাইন সমর্থক। বড় পর্দায় প্রিয় দলের খেলা দেখতে সকালের ঘুম হারাম করে হাজির হন ফুটবলপ্রেমীরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটের মাথায় অধিনায়ক লিওনেল মেসি গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ভক্তদের উন্মাদনা যেন বাঁধ ভেঙে যায়। এরপর থেকে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বল গেলেই মুহুর্মুহু করতালিতে মেতে উঠছিলেন সমর্থকরা।
ভিন্ন দলের সমর্থক হয়েও এই ফুটবল উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে এসেছেন হৃদয় নামের এক তরুণ। তিনি বলেন:
"সবাই যে একই দলের সাপোর্ট করবে—এমন কোনো কথা নেই। ভিন্ন দলের সমর্থক হয়েও এত মানুষের ভিড়ে এই অসাধারণ উন্মাদনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে আমার খুব ভালো লাগছে।"
পরিবারসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে খেলা দেখতে আসা লাবণ্য নামে এক কট্টর আর্জেন্টাইন সমর্থক নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন:
"আজকে টিএসসি আসলেই এক মিনি স্টেডিয়ামে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমাদের মতো অনেক সাধারণ মানুষও পরিবারসহ খেলা দেখতে এসেছেন। আমরা মনেপ্রাণে চাই, এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটাও যেন লিওনেল মেসির হাতেই ওঠে।"
মেসির বিশ্বরেকর্ড গড়া হ্যাটট্রিকের এই সকালে টিএসসির এই উন্মাদনা আবারও প্রমাণ করল, ফুটবল ও আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা কতটা আবেগঘন এবং অনন্য।

আপনার মতামত লিখুন