নজর বিডি
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সীমান্ত অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেন।

সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস তাঁর প্রশ্নে বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধের কথা উল্লেখ করে এগুলো নির্মূলে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।

"সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বিজিবি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।"

সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর লিখিত জবাবে জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

সীমান্ত সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া অন্যান্য পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি (Border Outpost) ও টিওবি (Tactical Outpost) নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিওপিগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কমেছে এবং টহল সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে।

দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে দ্রুত গতিতে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে, যা বিজিবির টহল দলকে যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সহায়তা করছে।

এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষকে চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ মিয়ানমার সীমান্ত, কাঁটাতারের বেড়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদ, বিজিবি, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম, বাংলাদেশ সীমান্ত Myanmar border, barbed wire fence, Home Minister, Salahuddin Ahmed, National Parliament, BGB, border crime, smuggling, Smart Border Surveillance System, Bangladesh border

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সীমান্ত অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেন।

সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস তাঁর প্রশ্নে বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধের কথা উল্লেখ করে এগুলো নির্মূলে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।

"সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বিজিবি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।"

সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর লিখিত জবাবে জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

সীমান্ত সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া অন্যান্য পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি (Border Outpost) ও টিওবি (Tactical Outpost) নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিওপিগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কমেছে এবং টহল সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে।

দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে দ্রুত গতিতে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে, যা বিজিবির টহল দলকে যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সহায়তা করছে।

এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষকে চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত