“ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক”—
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন।কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে দেশের ১৯টি উপজেলার মতো গোপালগঞ্জ জেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এর অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষালকান্দি গ্রামের ১২৬ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।
সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরিবারভিত্তিক একটি সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে শনাক্ত করে বিভিন্ন সরকারি সেবা, ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও উন্নয়ন সহায়তা কার্যক্রম আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।একই সঙ্গে পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
গোপালগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কে এম বাবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
বক্তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি সেবার ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে এবং একটি পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার তথ্য একই প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে সরকারি সহায়তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
তারা আরও বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক তথ্যব্যবস্থা সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয় এবং এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রমের আওতা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
“ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক”—
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে দেশের ১৯টি উপজেলার মতো গোপালগঞ্জ জেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এর অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষালকান্দি গ্রামের ১২৬ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।
সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরিবারভিত্তিক একটি সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে শনাক্ত করে বিভিন্ন সরকারি সেবা, ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও উন্নয়ন সহায়তা কার্যক্রম আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।একই সঙ্গে পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
গোপালগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কে এম বাবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
বক্তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি সেবার ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে এবং একটি পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার তথ্য একই প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে সরকারি সহায়তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
তারা আরও বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক তথ্যব্যবস্থা সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয় এবং এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রমের আওতা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন