যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপ হিসেবে ‘ইসলামাবাদ মেমোর্যান্ডম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ (ইসলামাবাদ এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরান ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি৭ সামিটের সম্মেলন উপলক্ষে বর্তমানে ফ্রান্সে অবস্থান করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গতকাল বুধবার (১৭ জুন) রাজধানী প্যারিসের ভার্সাইলিস প্রাসাদে নৈশভোজের আগে তিনি এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার পাশে উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাজধানী তেহরানে নিজ দপ্তরে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘ইরনা’ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ছবি প্রকাশ করেছে।
১৪টি পয়েন্ট সম্বলিত ‘ইসলামাবাদ এমওইউ’ মাত্র ৮০০ শব্দের খুব সংক্ষিপ্ত একটি সমঝোতা চুক্তি হলেও এর তাৎপর্য ব্যাপক। এই চুক্তিটিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কয়েক দশকব্যাপী উত্তেজনা প্রশমণের প্রাথমিক বার্তা এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে এগোনোর পথ হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে ঘিরে টানাপোড়েনের জেরে টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাত এবং তারপর যুদ্ধবিরতির নামে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে স্থবির অবস্থার পর, গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে নতুন এই চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। গত ৬ মে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছিলেন।
ইসলমাবাদ এমওইউ স্বাক্ষরের ফলে প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা, শর্ত নির্ধারণ, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রভৃতি ইস্যুতে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময় পাচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। এই ৬০ দিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে অবাধে চলাচল করতে দেবে ইরান; তার পরিবর্তে ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে নেবে মার্কিন বাহিনী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বাঁধার পর থেকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। গতকাল সন্ধ্যায় দুই দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই চুক্তির শর্তগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে।
সূত্র: রয়টার্স, সিএনএন

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপ হিসেবে ‘ইসলামাবাদ মেমোর্যান্ডম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ (ইসলামাবাদ এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরান ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি৭ সামিটের সম্মেলন উপলক্ষে বর্তমানে ফ্রান্সে অবস্থান করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গতকাল বুধবার (১৭ জুন) রাজধানী প্যারিসের ভার্সাইলিস প্রাসাদে নৈশভোজের আগে তিনি এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার পাশে উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাজধানী তেহরানে নিজ দপ্তরে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘ইরনা’ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ছবি প্রকাশ করেছে।
১৪টি পয়েন্ট সম্বলিত ‘ইসলামাবাদ এমওইউ’ মাত্র ৮০০ শব্দের খুব সংক্ষিপ্ত একটি সমঝোতা চুক্তি হলেও এর তাৎপর্য ব্যাপক। এই চুক্তিটিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কয়েক দশকব্যাপী উত্তেজনা প্রশমণের প্রাথমিক বার্তা এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে এগোনোর পথ হিসেবে কাজ করবে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে ঘিরে টানাপোড়েনের জেরে টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাত এবং তারপর যুদ্ধবিরতির নামে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে স্থবির অবস্থার পর, গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে নতুন এই চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। গত ৬ মে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছিলেন।
ইসলমাবাদ এমওইউ স্বাক্ষরের ফলে প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা, শর্ত নির্ধারণ, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রভৃতি ইস্যুতে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময় পাচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। এই ৬০ দিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে অবাধে চলাচল করতে দেবে ইরান; তার পরিবর্তে ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে নেবে মার্কিন বাহিনী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বাঁধার পর থেকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। গতকাল সন্ধ্যায় দুই দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই চুক্তির শর্তগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে।
সূত্র: রয়টার্স, সিএনএন

আপনার মতামত লিখুন