পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখা হবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী করে তোলার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩৬০ জন কৃষকের মাঝে মোট ১ হাজার ৮০০টি নারকেল গাছের চারা এবং প্রয়োজনীয় সার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নারকেলসহ বিভিন্ন অর্থকরী গাছ কৃষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করবে।তিনি আরও বলেন, সরকারের বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষকদেরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি রোপিত গাছ দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম রাজু এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান মিন্টু।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বিস্তারের মাধ্যমে যেমন পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত এ চারা বিতরণ কার্যক্রমকে স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এসব নারকেল গাছ ভবিষ্যতে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ. অবদান রাখবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখা হবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী করে তোলার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩৬০ জন কৃষকের মাঝে মোট ১ হাজার ৮০০টি নারকেল গাছের চারা এবং প্রয়োজনীয় সার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নারকেলসহ বিভিন্ন অর্থকরী গাছ কৃষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করবে।তিনি আরও বলেন, সরকারের বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষকদেরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি রোপিত গাছ দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম রাজু এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান মিন্টু।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বিস্তারের মাধ্যমে যেমন পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত এ চারা বিতরণ কার্যক্রমকে স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এসব নারকেল গাছ ভবিষ্যতে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ. অবদান রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন