পার্টনারস ইন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (পিপিডি) এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ-এর নবনিযুক্ত প্রতিনিধিরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারা এই পরিচয়পত্র পেশ করেন।
দুই সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদ্বয়কে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রাধিকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নবনিযুক্ত প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তারা নিজ নিজ সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
পিপিডি-র নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জনসংখ্যা ও টেকসই উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উদ্যোগে পিপিডি-কে আরও কার্যকর অবদান রাখার আহ্বান জানান।
ডব্লিউএফপির কান্ট্রি প্রতিনিধি কোকো এইচ উশিয়ামার সঙ্গে হওয়া বৈঠকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির উন্নয়ন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি এবং মানবিক সহায়তায় সংস্থাটির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ করে কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক (রোহিঙ্গা) এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ডব্লিউএফপির চলমান খাদ্য ও মানবিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
পাশাপাশি, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা আগের মতোই সচল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, ডব্লিউএফপি বাংলাদেশ, পিপিডি, পরিচয়পত্র পেশ, রোহিঙ্গা সংকট, খাদ্য নিরাপত্তা, কূটনৈতিক খবর Ministry of Foreign Affairs, Foreign Minister Khalilur Rahman, WFP Bangladesh, PPD, Credentials Presentation, WFP Country Chief, Rohingya Crisis, Bangladesh Diplomacy

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
পার্টনারস ইন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (পিপিডি) এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ-এর নবনিযুক্ত প্রতিনিধিরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারা এই পরিচয়পত্র পেশ করেন।
দুই সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদ্বয়কে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রাধিকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নবনিযুক্ত প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তারা নিজ নিজ সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
পিপিডি-র নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জনসংখ্যা ও টেকসই উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উদ্যোগে পিপিডি-কে আরও কার্যকর অবদান রাখার আহ্বান জানান।
ডব্লিউএফপির কান্ট্রি প্রতিনিধি কোকো এইচ উশিয়ামার সঙ্গে হওয়া বৈঠকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির উন্নয়ন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি এবং মানবিক সহায়তায় সংস্থাটির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ করে কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক (রোহিঙ্গা) এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ডব্লিউএফপির চলমান খাদ্য ও মানবিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
পাশাপাশি, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা আগের মতোই সচল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন