রাজধানীর পল্টন এলাকার ‘হোটেল রমনা’ থেকে মো. আল আমিন (৪০) নামে এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক তরুণীকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরের দিকে গুলিস্তানের ৪৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ রমনা ভবনের ওই হোটেলের নবম তলার ৯২৩ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে।
পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, সৌদি আরবে থাকাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এক তরুণীর সঙ্গে আল আমিনের পরিচয় হয়। ওই তরুণী বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চরকান্দি গ্রামের সবুর শেখের মেয়ে এবং গাজীপুর নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ৬ মাস ধরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সম্প্রতি আল আমিন দেশে ফিরে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করার জন্য হোটেল রমনার একটি কক্ষ ভাড়া নেন।
পুলিশের কাছে আটক তরুণীর দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি ভারী শব্দ শুনতে পান তিনি। ভেতরে গিয়ে দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা অবস্থায় আল আমিন মেঝেতে অচেতন হয়ে পড়ে আছেন। পরে তার চিৎকারে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে এবং তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই মাসুম বিল্লাহ আরও জানান, আল আমিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সঙ্গে থাকা ওই তরুণীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্টন এলাকার ‘হোটেল রমনা’ থেকে মো. আল আমিন (৪০) নামে এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক তরুণীকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরের দিকে গুলিস্তানের ৪৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ রমনা ভবনের ওই হোটেলের নবম তলার ৯২৩ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে।
পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, সৌদি আরবে থাকাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এক তরুণীর সঙ্গে আল আমিনের পরিচয় হয়। ওই তরুণী বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চরকান্দি গ্রামের সবুর শেখের মেয়ে এবং গাজীপুর নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ৬ মাস ধরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সম্প্রতি আল আমিন দেশে ফিরে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করার জন্য হোটেল রমনার একটি কক্ষ ভাড়া নেন।
পুলিশের কাছে আটক তরুণীর দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি ভারী শব্দ শুনতে পান তিনি। ভেতরে গিয়ে দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা অবস্থায় আল আমিন মেঝেতে অচেতন হয়ে পড়ে আছেন। পরে তার চিৎকারে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে এবং তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই মাসুম বিল্লাহ আরও জানান, আল আমিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সঙ্গে থাকা ওই তরুণীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন