যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ড শহরের কাছে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি ট্রেনের চালক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৮০ জনেরও বেশি যাত্রী। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেলে বেডফোর্ড শহরের বাইরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাজ্যের ইস্ট ইংল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় মোট ৮৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ জন যাত্রীর অবস্থা খুবই গুরুতর, ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং বাকি ৫৬ জন আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
রেল ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোর বরাতে জানা গেছে, উভয় ট্রেনই দক্ষিণ লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে বেডফোর্ড শহরের বাইরে ট্রেন দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
লন্ডন পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং একজন ট্রেন চালকের মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের কর্মকর্তারা বেডফোর্ড পুলিশ ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।”
যুক্তরাজ্য রেলের পূর্ব মিডল্যান্ড বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে নটিংহ্যাম থেকে একটি ট্রেন দক্ষিণ লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনের দিকে রওনা হয়েছিল। কাছাকাছি সময়ে করবি শহর থেকে একই স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল আরেকটি ট্রেন। কোনো প্রকার সংকেত বা কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্রেন দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে।
পিটার ন্যাপ নামের এক সৌভাগ্যবান যাত্রী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে বলেন, “হঠাৎ আমি আমার আসন থেকে ছিটকে পড়লাম এবং সামনে শুধু ধোঁয়া দেখতে পেলাম। মানুষজন কাঁদছিল, চিৎকার করছিল; সবাই চরম বিভ্রান্ত অবস্থায় ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমি সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পর দেখলাম আশেপাশে অনেকের হাত-পা ভেঙে গেছে, অনেকে এমনকি কথা বলার মতো অবস্থাতেও নেই।” পিটার নিজেও এই দুর্ঘটনায় সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
উদ্ধারকারী দল ও রেল কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ড শহরের কাছে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি ট্রেনের চালক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৮০ জনেরও বেশি যাত্রী। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেলে বেডফোর্ড শহরের বাইরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাজ্যের ইস্ট ইংল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় মোট ৮৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ জন যাত্রীর অবস্থা খুবই গুরুতর, ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং বাকি ৫৬ জন আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
রেল ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোর বরাতে জানা গেছে, উভয় ট্রেনই দক্ষিণ লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে বেডফোর্ড শহরের বাইরে ট্রেন দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
লন্ডন পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং একজন ট্রেন চালকের মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের কর্মকর্তারা বেডফোর্ড পুলিশ ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।”
যুক্তরাজ্য রেলের পূর্ব মিডল্যান্ড বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে নটিংহ্যাম থেকে একটি ট্রেন দক্ষিণ লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনের দিকে রওনা হয়েছিল। কাছাকাছি সময়ে করবি শহর থেকে একই স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল আরেকটি ট্রেন। কোনো প্রকার সংকেত বা কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ট্রেন দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে।
পিটার ন্যাপ নামের এক সৌভাগ্যবান যাত্রী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে বলেন, “হঠাৎ আমি আমার আসন থেকে ছিটকে পড়লাম এবং সামনে শুধু ধোঁয়া দেখতে পেলাম। মানুষজন কাঁদছিল, চিৎকার করছিল; সবাই চরম বিভ্রান্ত অবস্থায় ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমি সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পর দেখলাম আশেপাশে অনেকের হাত-পা ভেঙে গেছে, অনেকে এমনকি কথা বলার মতো অবস্থাতেও নেই।” পিটার নিজেও এই দুর্ঘটনায় সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
উদ্ধারকারী দল ও রেল কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন